সড়ক মানুষের চলাচলের পথ, জীবিকার পথ, জাতীয় অর্থনীতির গতিপথ এবং হাজারো মানুষের স্বপ্ন পূরণের মাধ্যম। অথচ সেই সড়কই যখন নিত্যদিন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়, তখন জাতীয় উন্নয়নের সব চাকচিক্য ম্লান হয়ে যায় অসংখ্য পরিবার ও স্বজনহারার অসীম ক্রন্দনে।
প্রতিদিন সকালে লাখ লাখ মানুষ ঘর থেকে বের হন জীবিকার সন্ধানে, অফিসে, কৃষিক্ষেত্রে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিংবা দূর-দূরান্তে থাকা প্রিয়জনের কাছে পৌঁছাতে। কিন্তু তাদের অনেকে আর ঘরে ফিরে আসেন না। কোনো বাড়িতে পৌঁছায় নিথর লাশ, কোনো পরিবারে নেমে আসে চিরস্থায়ী অন্ধকার, আবার কেউ প্রাণে বেঁচে গিয়েও পঙ্গুত্ব বরণ করে আজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলেন স্বাভাবিক জীবনযাপনের ক্ষমতা।
সাম্প্রতিক সময়ে নাটোরের বড়াইগ্রামে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা পুরো দেশকে নতুন করে নাড়া দিয়েছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই একটি যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন প্রাণ হারায় এবং বহু যাত্রী গুরুতর আহত হয়। এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের এক ব্যাংক কর্মকর্তা যুবক ও তার শিশুকন্যা লাশ হয়ে ফিরে এসেছেন।
দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী ও পুত্রসন্তানও গুরুতর আহত হয়েছে। দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ঠিক একই উপজেলায়, ঠিক এক মাস আগে অনুরূপ এক ট্র্যাজেডি ঘটেছিল। মির্জাগঞ্জের এক ব্যবসায়ী তার নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া অসুস্থ ছেলেকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে পদ্মার সন্নিকটে শিবচরে পৌঁছালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে দুজনই অকালে প্রাণ হারান।
পর পর এমন হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা এলাকাবাসীসহ পুরো দেশের মানুষকে গভীর শোক ও উদ্বেগে নিমজ্জিত করেছে। নাটোরের ওই একই স্পটে প্রায় ১২ বছর আগে দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩৭ জনের মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটেছিল। ইতিহাস থেকে যে শিক্ষা নেওয়া হয়নি, এই ঘটনা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত ‘জাতীয় স্বাস্থ্য ও আঘাত’ জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় আনুমানিক ২৪ হাজার ২৩৩ জনের মৃত্যু হয়Ñ অর্থাৎ দৈনিক গড়ে প্রাণ হারায় প্রায় ৬৬ জন মানুষ।
একই জরিপে দেখা যায়, বছরে ৩০ লাখের বেশি মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় ছোট-বড় আঘাত ও ক্ষতের শিকার হয়। তাদের মধ্যে প্রায় ৩৮ হাজার ২৮ জন মানুষ স্থায়ীভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার হয়। সহজ কথায়, আমাদের দেশে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০৪ জন কর্মক্ষম মানুষ সড়ক দুর্ঘটনার কারণে চিরতরে তাদের স্বাভাবিক উপার্জনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এই প্রতিটি গাণিতিক সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে একটি পরিবার, একটি ভেঙে যাওয়া সংসার, কিছু অসমাপ্ত স্বপ্ন আর বুকফাটা দীর্ঘশ্বাস।
দুর্ঘটনায় কেউ হারান বুক খালি করা সন্তান, কেউ জীবনের সঙ্গী, আবার কেউ পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে। চট্টগ্রামের এক তরুণের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর তার চিকিৎসায় পরিবারের ৬৫ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ার পরও তিনি শেষ পর্যন্ত কর্মক্ষমতা ফিরে পাননি। এমন ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতি শুধু নিছক প্রাণহানিতে সীমাবদ্ধ নয়।
একজন কর্মক্ষম মানুষ যখন অচল হয়ে যান, তখন তার ঢেউ এসে পড়ে পুরো পরিবারের ওপর। সন্তানদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত চিকিৎসা ও অন্নসংস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়ে, আর দীর্ঘমেয়াদি ঋণের বোঝা পরিবারটিকে এক নিমেষে ঠেলে দেয় দারিদ্র্যের চরম অতল গহ্বরে। সড়কের প্রতিটি মৃত্যুকে নিছক ‘ভাগ্যের লিখন’ বা ‘দৈব দুর্ঘটনা’ বলে এড়িয়ে যাওয়া চরম দায়িত্বহীনতা ও একধরনের অপরাধবোধ ঢাকার মানসিকতা।
কারণ, গভীর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অধিকাংশ দুর্ঘটনার পেছনেই থাকে মানুষের ভুল, অনিয়ম, চরম অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা, ত্রুটিপূর্ণ অবকাঠামো কিংবা নিরাপত্তাব্যবস্থার দীর্ঘদিনের অবহেলা। একটি কথা আছে, ‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী। ’ আমরা বাহ্যিক দৃষ্টিনন্দন চার লেন বা ছয় লেনের সড়ক, ফ্লাইওভার কিংবা মেগা সেতু দেখেই দেশের উন্নয়নের বড়াই করি, কিন্তু সেই সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের জীবন কতটা নিরাপদ, সেই অভ্যন্তরীণ গুণগত মান ও সুরক্ষার ব্যবস্থা আমরা যাচাই করি না।
মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, বেপরোয়াভাবে ওভারটেকিংয়ের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, ট্রাফিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখানো, চলন্ত অবস্থায় চালকের মুঠোফোন ব্যবহার এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পেয়ে ক্লান্তি ও ঘুম ঘুম চোখে গাড়ি চালানো প্রতিদিনের নৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফিটনেস সনদহীন লক্কড়ঝক্কড় যানবাহন, অদক্ষ ও অপরিপক্ব চালক, মূল চালকের বদলে কাঁচা হাতের হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো এবং মহাসড়কে ধীরগতির অনিয়ন্ত্রিত থ্রি-হুইলারের বাধাহীন চলাচল।
তা ছাড়া দেশের বহু গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিপজ্জনক বাঁক, অপর্যাপ্ত সড়কবাতি, স্পষ্ট রোড সাইন বা নির্দেশকের অনুপস্থিতি এবং পথচারীদের রাস্তা পারাপারের জন্য নিরাপদ ব্যবস্থার অভাব পরিস্থিতিকে প্রতিদিন আরও মারাত্মক করে তুলছে। প্রশ্ন ওঠে, অদক্ষ বা ভুয়া সনদধারী চালক কীভাবে পেশাদার চালকের আসনে বসে দূরপাল্লার বাস বা ট্রাক চালানোর অনুমতি পান।
একজন ড্রাইভারের পরিবর্তে আনাড়ি হেলপার কীভাবে প্রকাশ্যে স্টিয়ারিং হাতে নেওয়ার দুঃসাহস পান। ফিটনেসবিহীন, ব্রেক-ফেল করা গাড়ি কীভাবে হাইওয়ে পুলিশের নাকের ডগা দিয়ে দিনরাত মহাসড়কে চলাচল করে। কেন অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পরও বহু চালক আইনের ফাঁক গলে পার পেয়ে যান। দুর্ঘটনার পরে শুধু অপরাধের জরিমানা বাড়িয়ে কিংবা বছরে দুই-এক দিন সড়কে লোকদেখানো ‘বিশেষ অভিযান’ চালিয়ে সড়ককে কখনো নিরাপদ করা সম্ভব নয়।
এর জন্য প্রয়োজন সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের বিআরটিএ কার্যক্রমের আমূল সংস্কার ও শতভাগ স্বচ্ছতা। চালকের লাইসেন্স প্রদানের আগে যথাযথ ড্রাইভিং ট্রেনিং, মানসিক স্থিতিশীলতা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা আবশ্যক। যেসব যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী, সেগুলোকে স্ক্র্যাপ বা স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে। দুর্ঘটনার পর নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত নিশ্চিত করে দোষী চালক ও যানবাহনের মালিকÑ উভয়কেই আইনের আওতায় আনতে হবে।
পরিবহন মালিকদেরও বুঝতে হবে যে একজন চালককে একটানা ১০-১২ ঘণ্টা গাড়ি চালাতে বাধ্য করা মানে কার্যত যাত্রীদের মৃত্যুমুখে ঠেলে দেওয়া। চালকদের জন্য পর্যাপ্ত শিফট, উপযুক্ত বেতন ও মহাসড়কের পাশে বিশ্রামের সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা মালিকদেরও আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব। বিশ্ব যা করছে, আমরা কেন পারছি না। সড়ক দুর্ঘটনা রোধ করা কোনো অসম্ভব বা অলৌকিক কাজ নয়।
বিশ্বের বহু দেশ আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, প্রযুক্তি, কঠোর আইন ও জনগণের সচেতনতাকে কাজে লাগিয়ে সড়ক দুর্ঘটনা প্রায় শূন্যের কোঠায় নামিয়ে এনেছে। এ ক্ষেত্রে সুইডেনের বিখ্যাত ‘ভিশন জিরো’ কর্মসূচির কথা স্মরণ করা যায়। এই নীতির মূল দর্শন হলো, মানুষ মাত্রই ভুল করতে পারে, কিন্তু সড়কের পরিকাঠামো এবং পরিবহনব্যবস্থা এমনভাবে ডিজাইন করতে হবে যেন মানুষের একটি ভুলের মাশুল কাউকে জীবন দিয়ে দিতে না হয়।
তারা সড়কের গতিসীমা কমানো, বিভাজক তৈরি ও নিরাপদ যানবাহন তৈরিতে নজর দিয়ে দুর্ঘটনা ন্যূনতম পর্যায়ে এনেছে। জাতিসংঘ ২০২১-২০৩০ সময়কালকে ‘দ্বিতীয় সড়ক নিরাপত্তা দশক’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ও গুরুতর আহত হওয়ার সংখ্যা ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা। বিশ্বের এই সফল মডেলগুলো হুবহু অনুকরণ না করলেও, আমাদের দেশের বাস্তব অবকাঠামো, জনসংখ্যা ও চালকদের মানসিকতার কথা মাথায় রেখে নিজস্ব একটি দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে হলে আমাদের সনাতন পদ্ধতি ছেড়ে তথ্যভিত্তিক ও বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনার দিকে হাঁটতে হবে। দেশের কোন কোন স্পটে বা মোড়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটছে, সেগুলোকে ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করে জরুরি ভিত্তিতে সড়ক পুনর্নির্মাণ ও বিপজ্জনক বাঁক সোজা করতে হবে। দেশের সব জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে স্বয়ংক্রিয় গতি শনাক্তকারী স্পিড ক্যামেরা ও ডিজিটাল মনিটরিং বসাতে হবে।
গতিসীমা লঙ্ঘন করলেই সরাসরি ই-প্রসিকিউশনের মাধ্যমে চালক ও গাড়ির মালিকের ফোনে জরিমানার নোটিশ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শহরের মোড়গুলোয় হাতের ইশারায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে আধুনিক ডিজিটাল ও সেন্সরভিত্তিক সিগন্যালিংয়ের ব্যবস্থা চালু করতে হবে। দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টা সময়কে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’। এই সময়ের মধ্যে সঠিক চিকিৎসা পেলে ৮০ শতাংশ মানুষের প্রাণ বাঁচানো সম্ভব।
তাই জাতীয় মহাসড়কগুলোর প্রতি ৩০-৪০ কিলোমিটার পর পর আধুনিক ট্রমা কেয়ার সেন্টার, প্রশিক্ষিত ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকারী দল এবং সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস প্রস্তুত রাখতে হবে। প্রবাদ আছে, ‘সাবধানের মার নেই। ’ মোটরসাইকেল চালানোর সময় চালক ও আরোহী উভয়েরই মানসম্মত হেলমেট পরিধান করা, গাড়িতে বসামাত্রই সিটবেল্ট বাঁধা, চলন্ত অবস্থায় মোবাইল ফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার না করা এবং তাড়াহুড়ো করে ওভারটেক করার মানসিকতা বর্জন করতে হবে।
অন্যদিকে পথচারীদের ফুটওভার ব্রিজ বা জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করা এবং ওভারট্যাকিং বা চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে দৌড়ে রাস্তা পার হওয়ার আত্মঘাতী অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। তবে আমাদের ভুলে গেলে চলবে নাÑ ফুটপাত দখলমুক্ত না করে কিংবা নিরাপদে পথচারী পারাপারের সুব্যবস্থা না রেখে কেবল সাধারণ মানুষের ওপর দোষ চাপানো একধরনের অন্যায়। রাষ্ট্র ও স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্ব হলো, পথচারীদের স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করা।
এ ক্ষেত্রে বিশেষ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যিনি স্বয়ং মাঠে নেমে ঢাকার ফুটপাত দখলমুক্তকরণ এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত সুগম করার ক্ষেত্রে তদারকি করছেন। প্রতি বছর ২২ অক্টোবর ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ আসে। র‍্যালি হয়, আলোচনা সভা হয়, সুশীল সমাজ ও কর্তাব্যক্তিরা গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
কিন্তু দিনশেষে এসব আনুষ্ঠানিকতা দপ্তরে ও নথিতে সীমাবদ্ধ থাকে, যার পরবর্তী প্রকৃত সাফল্য দেখা যায় না। আমাদের প্রয়োজন একটি বাস্তবমুখী, পরিমাপযোগ্য ও সমন্বিত জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা অ্যাকশন প্ল্যান। ২০২৭ সালের মধ্যে একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অর্ধেকে নামিয়ে আনার যে বৈশ্বিক ও জাতীয় লক্ষ্য রয়েছে, তা অর্জন করতে হলে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো, প্রশাসনিক জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রদর্শন করা আবশ্যক।
সড়ক দুর্ঘটনা শুধু প্রাণহানি নয়, একটি পরিবারের আজীবনের কান্না। শোক ও সমবেদনার গ-ি পেরিয়ে কঠোর আইন প্রয়োগ, দক্ষ চালক, উন্নত সড়ক, দ্রুত চিকিৎসা ও জনসচেতনতা নিশ্চিত করতে হবে। তবেই ‘নিরাপদ সড়ক, সমৃদ্ধ দেশ’ স্লোগানটি বাস্তবে রূপ নেবে।






















