পাঁচ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে, গ্রুম আপ, বুটক্যাম্প আর বিচারকদের কঠিন সব পরীক্ষা পেরিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন তিনি। বলছিলাম নতুন প্রজন্মের তুখোড় অভিনয়শিল্পী খোঁজার রিয়েলিটি শো ফেস অব টুমরো’র প্রথম আসরের যৌথ চ্যাম্পিয়ন রাইসা সুলতানার কথা।
জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাথায় মুকুট আর হাতে ৫ লাখ টাকার চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে নেওয়ার পর থেকেই ভেসে যাচ্ছেন অভিনন্দনের জোয়ারে। তবে এই অর্জনকে কেবল একটি শুরু বলে মনে করছেন রাইসা। তার মূল লক্ষ্য এখন একটাইÑ অভিনয় দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেওয়া এবং নিজেকে অভিনয়ে পুরোপুরি ব্যস্ত করে তোলা। প্রতিযোগিতা নিয়ে রাইসা রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘এই জার্নিটা মোটেও সহজ ছিল না।
প্রতিদিন নিজেকে ভাঙতে হয়েছে, নতুন করে শিখতে হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা যেমন আনন্দের, তেমনি এখন দায়িত্বটাও অনেক বেড়ে গেছে। ’ বিজয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই রাইসা নিজের ভবিষ্যতের ছক কষতে শুরু করেছেন। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি অন্যরকম এক টান অনুভব করতেন তিনি। এবার সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পালা। রাইসা জানান, গ্ল্যামার নয়, বরং একজন জাত ও শক্তিশালী অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান তিনি।
তার ভাষায়, ‘আমি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট গ-িতে আটকে রাখতে চাই না। সিনেমা, ওটিটি কিংবা নাটকÑ যেখানেই ভালো গল্প আর চ্যালেঞ্জিং চরিত্র পাব, সেখানেই কাজ করতে চাই। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে পর্দায় নিয়মিত হওয়া এবং নিজেকে অভিনয়ের নানা মাত্রায় ব্যস্ত রাখাই এখন আমার প্রধান লক্ষ্য। ’ ইতোমধ্যেই শো-এর সেরা ২০ প্রতিযোগীকে নিয়ে চলচ্চিত্র ও নাটক নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন আয়োজকরা।
ফলে খুব দ্রুতই পর্দায় দেখা মিলবে এই নবাগতার। তবে রাইসা তাড়াহুড়ো করতে চান না। ভালো চিত্রনাট্য এবং গুণী পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিধি আরও বাড়াতে চান। এরই মধ্যে তিনি দুটি কাজ করেছেন। তবে পরিচালকের পক্ষ থেকে কাজগুলো নিয়ে বলা বারণ আছে। শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানান তিনি। ‘ফেস অব টুমরো’র মঞ্চ রাইসাকে এনে দিয়েছে এক বিশাল চেনা আকাশ।
আর সেই আকাশে নিজের অভিনয় প্রতিভার ডানা মেলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।



















