আজ বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩১°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৩%

ওরাকল ও মাইক্রোসফটে বড় ছাঁটাই: নেপথ্যে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:00:36 am, Tuesday, 8 September 2026
  • 32

ওরাকল ও মাইক্রোসফটে বড় ছাঁটাই: নেপথ্যে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভাবুন তো, একটি কোম্পানি এআই ব্যবহার করে এক হাজার কর্মীর কাজ কয়েক শ মানুষ দিয়ে করাতে পারছে। কোম্পানির খরচ কমছে। উৎপাদনশীলতা বাড়ছে। লাভও বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো বাকি কর্মীদের কী হবে? আর যদি ওরাকল ও মাইক্রোসফটের মতো পৃথিবীর প্রায় সব বড় কোম্পানি একই পথে হাঁটে? মানুষ চাকরি হারাবে, আয় কমবে। কিন্তু তখন কোম্পানিগুলোর তৈরি পণ্য ও সেবা কিনবে কে? এআই কি শেষ পর্যন্ত এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করতে পারে, যেখানে উৎপাদনের ক্ষমতা আছে, কিন্তু মানুষের হাতে কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই? আজ আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করব।

২০২৬ সালেও প্রযুক্তি খাতে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখের বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা পুনর্গঠন ও খরচ কমানোর পাশাপাশি এআই, ডেটা সেন্টার এবং অটোমেশনে বিপুল বিনিয়োগ করছে। ওরাকল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজনের মতো কোম্পানিগুলোও বিভিন্ন সময়ে কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে এবং একই সঙ্গে এআই অবকাঠামো ও অটোমেশনে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।

তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি– সব ছাঁটাইয়ের জন্য সরাসরি এআইকে দায়ী করা যাবে না। দুর্বল ব্যবসায়িক ফলাফল, অতিরিক্ত নিয়োগের পর কর্মীসংখ্যা সমন্বয়, বাজারে পরিবর্তন এবং কোম্পানি পুনর্গঠনও বড় কারণ। তবুও প্রশ্ন থেকে যায়। যখন কোম্পানিগুলো একই সঙ্গে কর্মী কমাচ্ছে এবং মানুষের কাজ করার জন্য এআই ও অটোমেশনে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, তখন মানুষের প্রয়োজন কি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে?

সম্ভবত না। কারণ, এআই সাধারণত একটি পুরো চাকরি একসঙ্গে প্রতিস্থাপন করে না। বরং চাকরির ভেতরের নির্দিষ্ট কিছু কাজ অটোমেট করে। ধরুন, একজন কর্মী প্রতিদিন ১০টি কাজ করেন। এআই হয়তো তার মধ্যে তিনটি কাজ নিজে করতে পারবে। আরও কয়েকটি কাজ অনেক দ্রুত করতে সাহায্য করবে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা, জটিল সিদ্ধান্ত নেওয়া, মানুষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করা কিংবা নেতৃত্ব দেওয়া– এসব ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয়তো শুধু চাকরি হারানো নয়। বরং চাকরির ধরন বদলে যাওয়া। সমস্যা হলো, যেসব কর্মী এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য এআই বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় এসেছে একটি ধারণা– ‘দ্য এআই লে-অফ ট্র্যাপ’। ধরা যাক, একটি কোম্পানি কর্মী কমিয়ে এআই ব্যবহার শুরু করল। এতে খরচ কমল। উৎপাদনশীলতা বাড়ল। ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে অন্য কোম্পানিগুলোও একই কাজ শুরু করল। শুরুতে প্রতিটি কোম্পানির সিদ্ধান্ত আলাদাভাবে লাভজনক মনে হতে পারে। কিন্তু পুরো অর্থনীতির চিত্রটা ভিন্ন হতে পারে। বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি হারালে বা তাঁদের আয় কমে গেলে তাঁরা কম খরচ করবেন। মানুষ কম খরচ করলে পণ্য ও সেবার চাহিদা কমবে। আর চাহিদা কমে গেলে শেষ পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর বিক্রিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, যে কোম্পানিগুলো কর্মী কমিয়ে খরচ বাঁচিয়েছিল, তারাই একসময় ক্রেতার অভাবে সমস্যায় পড়তে পারে। সহজ ভাষায়– সবাই যদি উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু মানুষের আয় কমিয়ে দেয়, তাহলে কিনবে কে? এটিই হতে পারে এআই যুগের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক প্রশ্ন।

তাহলে সমাধান কী? এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব হলো অতিরিক্ত অটোমেশনের ওপর বিশেষ কর বা পিগুভিয়ান ট্যাক্স। যুক্তিটি হলো, কোনো কোম্পানি যদি অটোমেশনের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে মানুষের শ্রম প্রতিস্থাপন করে এবং এর ফলে সমাজে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি তৈরি হয়, তাহলে সেই সামাজিক খরচের একটি অংশ কোম্পানিকেও বহন করতে হবে।

এর উদ্দেশ্য অটোমেশন বন্ধ করা নয়। বরং শুধু স্বল্পমেয়াদে খরচ কমানোর জন্য নির্বিচারে কর্মী বাদ দেওয়ার প্রবণতা কমানো। তবে বাস্তবে এমন কর কার্যকর করা কঠিন। কারণ একটি কর্মী ছাঁটাই হয়েছে শুধুই এআইয়ের কারণে, নাকি ব্যবসায়িক মন্দা, পুনর্গঠন বা অন্য কোনো কারণে– সেটি নির্ধারণ করা সব সময় সহজ নয়।

শুধু কর দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো রিস্কিলিং এবং আপস্কিলিং। অর্থাৎ, মানুষকে এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যেখানে এআই মানুষের বিকল্প না হয়ে মানুষের সহকারী হিসেবে কাজ করবে। যেমন: সৃজনশীল চিন্তা, মানুষকে বোঝার ক্ষমতা, জটিল সমস্যা সমাধান, বাস্তব পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া, নেতৃত্ব এবং কার্যকর যোগাযোগ।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য হওয়া উচিত এআই যেন মানুষকে সরিয়ে না দেয়, বরং মানুষকে আরও সক্ষম করে। এআই তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। কিন্তু সেই তথ্যের প্রেক্ষাপট বুঝে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে মানুষের। এআই সময় বাঁচাতে পারে। আর মানুষ সেই সময় ব্যবহার করতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কাজে।

সত্যি বলতে– এআইয়ের অগ্রগতি থামানো সম্ভব নয়, আর হয়তো সেটি থামানো উচিতও নয়। নতুন প্রযুক্তি যেমন কিছু কাজ বদলে দেয়, তেমনি নতুন সুযোগও তৈরি করে। তবে এআই থেকে পাওয়া বাড়তি উৎপাদনশীলতার লাভ শুধু কোম্পানি ও মালিকরা নয়, কর্মীরাও যেন এর সুফল পান তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এআই যদি উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু মানুষের হাতে কেনার মতো টাকা না থাকে, তাহলে সেই উৎপাদন শেষ পর্যন্ত কার জন্য?

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

অবকাঠামোর ঘাটতি: বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদন

ওরাকল ও মাইক্রোসফটে বড় ছাঁটাই: নেপথ্যে কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা?

Update Time : 12:00:36 am, Tuesday, 8 September 2026

ভাবুন তো, একটি কোম্পানি এআই ব্যবহার করে এক হাজার কর্মীর কাজ কয়েক শ মানুষ দিয়ে করাতে পারছে। কোম্পানির খরচ কমছে। উৎপাদনশীলতা বাড়ছে। লাভও বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো বাকি কর্মীদের কী হবে? আর যদি ওরাকল ও মাইক্রোসফটের মতো পৃথিবীর প্রায় সব বড় কোম্পানি একই পথে হাঁটে? মানুষ চাকরি হারাবে, আয় কমবে। কিন্তু তখন কোম্পানিগুলোর তৈরি পণ্য ও সেবা কিনবে কে? এআই কি শেষ পর্যন্ত এমন একটি অর্থনীতি তৈরি করতে পারে, যেখানে উৎপাদনের ক্ষমতা আছে, কিন্তু মানুষের হাতে কেনার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই? আজ আমরা এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করব।

২০২৬ সালেও প্রযুক্তি খাতে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১ লাখের বেশি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসা পুনর্গঠন ও খরচ কমানোর পাশাপাশি এআই, ডেটা সেন্টার এবং অটোমেশনে বিপুল বিনিয়োগ করছে। ওরাকল, মাইক্রোসফট, মেটা ও অ্যামাজনের মতো কোম্পানিগুলোও বিভিন্ন সময়ে কর্মীসংখ্যা কমিয়েছে এবং একই সঙ্গে এআই অবকাঠামো ও অটোমেশনে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।

তবে এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি– সব ছাঁটাইয়ের জন্য সরাসরি এআইকে দায়ী করা যাবে না। দুর্বল ব্যবসায়িক ফলাফল, অতিরিক্ত নিয়োগের পর কর্মীসংখ্যা সমন্বয়, বাজারে পরিবর্তন এবং কোম্পানি পুনর্গঠনও বড় কারণ। তবুও প্রশ্ন থেকে যায়। যখন কোম্পানিগুলো একই সঙ্গে কর্মী কমাচ্ছে এবং মানুষের কাজ করার জন্য এআই ও অটোমেশনে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে, তখন মানুষের প্রয়োজন কি ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে?

সম্ভবত না। কারণ, এআই সাধারণত একটি পুরো চাকরি একসঙ্গে প্রতিস্থাপন করে না। বরং চাকরির ভেতরের নির্দিষ্ট কিছু কাজ অটোমেট করে। ধরুন, একজন কর্মী প্রতিদিন ১০টি কাজ করেন। এআই হয়তো তার মধ্যে তিনটি কাজ নিজে করতে পারবে। আরও কয়েকটি কাজ অনেক দ্রুত করতে সাহায্য করবে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা, জটিল সিদ্ধান্ত নেওয়া, মানুষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ করা কিংবা নেতৃত্ব দেওয়া– এসব ক্ষেত্রে মানুষের ভূমিকা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ভবিষ্যতের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয়তো শুধু চাকরি হারানো নয়। বরং চাকরির ধরন বদলে যাওয়া। সমস্যা হলো, যেসব কর্মী এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য এআই বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে।

এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় এসেছে একটি ধারণা– ‘দ্য এআই লে-অফ ট্র্যাপ’। ধরা যাক, একটি কোম্পানি কর্মী কমিয়ে এআই ব্যবহার শুরু করল। এতে খরচ কমল। উৎপাদনশীলতা বাড়ল। ফলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে অন্য কোম্পানিগুলোও একই কাজ শুরু করল। শুরুতে প্রতিটি কোম্পানির সিদ্ধান্ত আলাদাভাবে লাভজনক মনে হতে পারে। কিন্তু পুরো অর্থনীতির চিত্রটা ভিন্ন হতে পারে। বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি হারালে বা তাঁদের আয় কমে গেলে তাঁরা কম খরচ করবেন। মানুষ কম খরচ করলে পণ্য ও সেবার চাহিদা কমবে। আর চাহিদা কমে গেলে শেষ পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর বিক্রিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অর্থাৎ, যে কোম্পানিগুলো কর্মী কমিয়ে খরচ বাঁচিয়েছিল, তারাই একসময় ক্রেতার অভাবে সমস্যায় পড়তে পারে। সহজ ভাষায়– সবাই যদি উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু মানুষের আয় কমিয়ে দেয়, তাহলে কিনবে কে? এটিই হতে পারে এআই যুগের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক প্রশ্ন।

তাহলে সমাধান কী? এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব হলো অতিরিক্ত অটোমেশনের ওপর বিশেষ কর বা পিগুভিয়ান ট্যাক্স। যুক্তিটি হলো, কোনো কোম্পানি যদি অটোমেশনের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে মানুষের শ্রম প্রতিস্থাপন করে এবং এর ফলে সমাজে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতি তৈরি হয়, তাহলে সেই সামাজিক খরচের একটি অংশ কোম্পানিকেও বহন করতে হবে।

এর উদ্দেশ্য অটোমেশন বন্ধ করা নয়। বরং শুধু স্বল্পমেয়াদে খরচ কমানোর জন্য নির্বিচারে কর্মী বাদ দেওয়ার প্রবণতা কমানো। তবে বাস্তবে এমন কর কার্যকর করা কঠিন। কারণ একটি কর্মী ছাঁটাই হয়েছে শুধুই এআইয়ের কারণে, নাকি ব্যবসায়িক মন্দা, পুনর্গঠন বা অন্য কোনো কারণে– সেটি নির্ধারণ করা সব সময় সহজ নয়।

শুধু কর দিয়ে এই সমস্যার সমাধান হবে না। এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো রিস্কিলিং এবং আপস্কিলিং। অর্থাৎ, মানুষকে এমন দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যেখানে এআই মানুষের বিকল্প না হয়ে মানুষের সহকারী হিসেবে কাজ করবে। যেমন: সৃজনশীল চিন্তা, মানুষকে বোঝার ক্ষমতা, জটিল সমস্যা সমাধান, বাস্তব পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া, নেতৃত্ব এবং কার্যকর যোগাযোগ।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য হওয়া উচিত এআই যেন মানুষকে সরিয়ে না দেয়, বরং মানুষকে আরও সক্ষম করে। এআই তথ্য বিশ্লেষণ করতে পারে। কিন্তু সেই তথ্যের প্রেক্ষাপট বুঝে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব থাকবে মানুষের। এআই সময় বাঁচাতে পারে। আর মানুষ সেই সময় ব্যবহার করতে পারে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল কাজে।

সত্যি বলতে– এআইয়ের অগ্রগতি থামানো সম্ভব নয়, আর হয়তো সেটি থামানো উচিতও নয়। নতুন প্রযুক্তি যেমন কিছু কাজ বদলে দেয়, তেমনি নতুন সুযোগও তৈরি করে। তবে এআই থেকে পাওয়া বাড়তি উৎপাদনশীলতার লাভ শুধু কোম্পানি ও মালিকরা নয়, কর্মীরাও যেন এর সুফল পান তা নিশ্চিত করতে হবে। কারণ এআই যদি উৎপাদন বাড়ায়, কিন্তু মানুষের হাতে কেনার মতো টাকা না থাকে, তাহলে সেই উৎপাদন শেষ পর্যন্ত কার জন্য?