কোম্পানির নাম বা ব্যবসার উদ্দেশ্য বদলাতে আর হাইকোর্ট নয়, রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকেই মিলবে অনুমোদন। এক ব্যক্তি কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর খসড়া সংশোধনীতে। ব্যবসা সহজ করতে এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর খসড়া সংশোধনী নিয়ে আলোচনার আয়োজন করে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন-এফবিসিসিআই। সভায় দীর্ঘদিনের জটিলতা ও প্রশাসনিক বাধা দূর করতে কোম্পানি আইন ঢেলে সাজানোর উদ্যোগের কথা উঠে আসে।
সভায় জানানো হয়, নিষ্ক্রিয় কোম্পানি বন্ধের প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাবসহ কোম্পানি আইন খসড়ায় ৪০টি সংশোধনী আনার সুপারিশ রয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি ধারা সংশোধনের পাশাপাশি যুক্ত হবে ৫টি নতুন ধারা।
হাইকোর্টে না গিয়ে নির্দিষ্ট সময় ও প্রক্রিয়া মেনে কোম্পানি বাতিল বা বিলুপ্ত করার সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে খসড়ায়। তবে নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
শুধু অনুমোদন প্রক্রিয়া নয়, এক ব্যক্তি কোম্পানি গঠনের ক্ষেত্রেও আসছে বড় পরিবর্তন। ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ২৫ লাখ টাকা থেকে কমানোর প্রস্তাব রয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ব্যবসা সহজ করতে কোম্পানি আইন সংশোধনে মতামত দিতে যতদিন সময় লাগে, ব্যবসায়ীদের ততদিন সময় দেওয়া হবে। ব্যক্তি কোম্পানির ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে কোম্পানি আইন-১৯৯৪ এর খসড়া সংশোধনীতে।
কোম্পানি পরিচালনায় দীর্ঘসূত্রতাও দাপ্তরিক জটিলতা কমানো গেলে, ব্যবসার খরচও কমবে। তবে সংশোধিত আইন শুধু কাগজে নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত হলেই এর সুফল মিলবে বলে মত খাত সংশ্লিষ্টদের।


















