আজ বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৪ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৩%

অবকাঠামোর ঘাটতি: বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদন

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:00:48 am, Wednesday, 9 September 2026
  • 13

অবকাঠামোর ঘাটতি: বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদন

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় গাছের চারা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টার। বর্তমানে সেখানে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদিত হচ্ছে। এর ফলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় চারার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

১৯৬১ সালে বরিশালের রহমতপুরে ৫০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় হর্টিকালচার সেন্টার। তবে, শুধু চারা রক্ষার পর্যাপ্ত শেডের অভাবে ৬৫ বছরেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতি বছর ৩ লাখ চারা উৎপাদন ও বিক্রির সক্ষমতা থাকলেও এক লাখের বেশি চারা উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে, দূর দুরান্তের অনেক ক্রেতাও চারা পাচ্ছেন না।

হর্টিকালচার সেন্টারের শেডগুলো অনেক ছোট হওয়ায় মাটি বানানো থেকে শুরু করে চারা উৎপাদনের কাজ ঠিকমতো করতে পারে না শ্রমিকরা। মাঝেমধ্যেই পালাক্রমে কাজ করতে হয় শ্রমিকদের।

বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. অলিউল আলম বলেন, ‘সেন্টারের নেট হাউজ ও শেডের সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। ৮০ শতাংশ জায়গার ওপর শেড নামমাত্র। এ অবস্থায় সদ্য গজানো চারাও খোলা জায়গায় রাখতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।’

খোলা জায়গায় রাখায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার চারা ও কলম নষ্ট হয়ে গেছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

অবকাঠামোর ঘাটতি: বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদন

অবকাঠামোর ঘাটতি: বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদন

Update Time : 12:00:48 am, Wednesday, 9 September 2026

পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় গাছের চারা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টার। বর্তমানে সেখানে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা উৎপাদিত হচ্ছে। এর ফলে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় চারার চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

১৯৬১ সালে বরিশালের রহমতপুরে ৫০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় হর্টিকালচার সেন্টার। তবে, শুধু চারা রক্ষার পর্যাপ্ত শেডের অভাবে ৬৫ বছরেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতি বছর ৩ লাখ চারা উৎপাদন ও বিক্রির সক্ষমতা থাকলেও এক লাখের বেশি চারা উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে, দূর দুরান্তের অনেক ক্রেতাও চারা পাচ্ছেন না।

হর্টিকালচার সেন্টারের শেডগুলো অনেক ছোট হওয়ায় মাটি বানানো থেকে শুরু করে চারা উৎপাদনের কাজ ঠিকমতো করতে পারে না শ্রমিকরা। মাঝেমধ্যেই পালাক্রমে কাজ করতে হয় শ্রমিকদের।

বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. অলিউল আলম বলেন, ‘সেন্টারের নেট হাউজ ও শেডের সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। ৮০ শতাংশ জায়গার ওপর শেড নামমাত্র। এ অবস্থায় সদ্য গজানো চারাও খোলা জায়গায় রাখতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।’

খোলা জায়গায় রাখায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার চারা ও কলম নষ্ট হয়ে গেছে।