আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬৯%

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দুঃখপ্রকাশ করে সমাধানের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:09:48 pm, Tuesday, 11 August 2026
  • 63

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দুঃখপ্রকাশ করে সমাধানের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতির কারণে দুঃখপ্রকাশ করে আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরোপুরি উত্তরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এজন্য আমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করছি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান গ্যাসসংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বা এফএসআরইউ বিকল হয়ে থাকার কথা উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এফএসআরইউটির একটি অংশ সচল রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে একটি বয়লারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে পুরো এফএসআরইউ চালু করতে গেলে বর্তমানে যে বয়লারের মাধ্যমে উৎপাদন চলছে, সেটিও বন্ধ রাখতে হবে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানির সংকট তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমরা পাচ্ছি না। সরকার দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি পূরণে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও নেয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হবে। দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে বাপেক্সকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে দুঃখপ্রকাশ করে সমাধানের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

Update Time : 05:09:48 pm, Tuesday, 11 August 2026

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতির কারণে দুঃখপ্রকাশ করে আগামী দুই বছরের মধ্যে পুরোপুরি উত্তরণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। এজন্য আমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করছি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান গ্যাসসংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে একটি ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল বা এফএসআরইউ বিকল হয়ে থাকার কথা উল্লেখ করে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এফএসআরইউটির একটি অংশ সচল রাখার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে একটি বয়লারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। তবে পুরো এফএসআরইউ চালু করতে গেলে বর্তমানে যে বয়লারের মাধ্যমে উৎপাদন চলছে, সেটিও বন্ধ রাখতে হবে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানির সংকট তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি আমরা পাচ্ছি না। সরকার দীর্ঘমেয়াদি সংকট সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে। জ্বালানি সরবরাহের ঘাটতি পূরণে স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও নেয়া হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছরের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানির ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো হবে। দেশের নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ জন্য বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহ বাড়াতে বাপেক্সকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।