জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রা শুরু হবে।
এর আগে সেখানে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দেবেন তিনি। এদিকে কর্মসূচিকে ঘিরে দুপুর থেকেই নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডের পাশাপাশি আশপাশের জেলা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নয়াপল্টনে আসছেন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তাঁদের হাতে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন এবং দলের শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড। নানা রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তুলেছেন পুরো এলাকা। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি (দপ্তরের দায়িত্বে থাকা) নূরুল ইসলাম সোহেল বলেন, আজকের শোভাযাত্রা সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কর্মসূচিতে অংশ নিতে নেতাকর্মীরা আগে থেকেই নয়াপল্টনে জড়ো হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন, যা দলের নেতাকর্মীদের জন্য গর্বের বিষয়। তার নেতৃত্বে এ কর্মসূচি নেতাকর্মীদের আরও উৎসাহিত করবে এবং দল ও সহযোগী সংগঠনগুলো নতুন করে সাংগঠনিক শক্তি অর্জন করবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৩টায় শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। প্রথমে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। সমাবেশে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। সমাবেশ শেষে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হবে। রাজধানীর নির্ধারিত বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এটি মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
শোভাযাত্রা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দলীয়ভাবে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকেরা। অন্যদিকে, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে শোভাযাত্রার আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।






















