রাজধানীর বনানী থানাধীন কড়াইল বউবাজার এলাকায় বিক্রম ওরফে বাবু (২০) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে সকল আইনে প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রোববার (২৬ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ফরিদ সাহেবের ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার পরনে লাল-সাদা প্রিন্টের শার্ট ও কালো রঙের জিন্স প্যান্ট ছিল। নিহত বিক্রমের বাবার নাম মৃত সেলিম। পেশায় তিনি শ্রমিক ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি শেরপুর জেলার সদর থানার গোলপাড়ার কোহাকান্দা গ্রামে। বর্তমানে তিনি কড়াইল বউবাজার এলাকার ফরিদের ভাড়া বাসায় থাকতেন।
নিহতরা তিন ভাই ২ বোন। বনানী থানার এসআই মো. ইউসুফ আলী জানান, নিহতের মা, বড় ভাই, বড় বোন, আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, নিহত বিক্রম অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এ কারণে মায়ের সাথে তার মাঝেমধ্যেই ঝগড়াঝাটি হতো। এই বিষয় নিয়েই আজ রাত আনুমানিক ২টার দিকে মায়ের সাথে ঝগড়ার একপর্যায়ে তার মাকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দেন।
পরবর্তীতে রাত ২টা থেকে ভোর ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো এক সময় ঘরের ছাদে ঝুলানোর লোহার আংটার সাথে ওড়না লাগিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। পরবর্তীতে আমরা সকালের দিকে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে সকল আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আজ দুপুরের দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালের মর্গে নিয়ে আসি। তিনি আরো জানান, বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে রাখা হয়েছে।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে জানা যাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে আসা নিহতের ভাই সজিব বিডি নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম কে জানান ,আমার ভাই আর মা একসাথে থাকতেন। আমি আলাদা থাকতাম। আমার মায়ের সাথে আমার ভাইয়ের এই অনলাইন জুয়া খেলার বিষয়টি নিয়ে মাঝে মাঝেই ঝগড়া লাগতো। এবং আমার মা আমার কাছে অনেক কান্নাকাটিও করতো।
গতরাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয় এবং আমার ভাই আমার মাকে ঘর থেকে মেরে বের করে দেয়। পরবর্তীতে আমার মা আমাকে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানালে আমি আমার মাকে বলি তুমি আমার কাছে চলে এসো। পরবর্তীতে আমি আমার ভাইয়ের আত্মহত্যার বিষয়টি জানতে পারি।






















