অবশেষে শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে ক্লাসে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সোমবার বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন তারা।
ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন শুরুর ৩৬ দিন পর আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ফের চালু হচ্ছে একাডেমিক কার্যক্রম। তবে আগের উপাচার্য পুনর্বহাল ও নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাহারের আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। নতুন উপাচার্য ক্যাম্পাসে ঢুকলে ফের শাট ডাউন কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রোববার এক খোলা চিঠিতে প্রথমে ক্লাসে ফিরতে শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের এ চিঠির পর শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা থেকেও শিক্ষার্থীদের এ সিদ্ধান্তের সাথে একমত জানিয়ে ক্লাসে ফেরার প্রস্তুতির কথা জানায় শিক্ষক সমিতি।
পরে রাতে শিক্ষক- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যৌথ বিবৃতিতে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে সব ধরনের সহযোগিতার কথা জানানো হয়। একই সাথে উপাচার্য পুনর্বহালে আন্দোলন ও নতুন উপাচার্যকে অসহযোগিতা করার সিদ্ধান্ত চলমান থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেন শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
এদিকে ক্যাম্পাস খোলার দিন ২৮ অক্টোবর ইউজিসি গঠিত পরামর্শক দল বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় করতে ক্যাম্পাসে যাবে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে সর্বাত্মক শাটডাউন কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।
একই দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীও কর্মবিরতি ও অসহযোগ কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতটি বিভাগের ৩৪টি পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। এর মধ্যে গেল ১২ অক্টোবর তালা ভেঙে উপাচার্য ভবনে প্রবেশ করলে ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকেন নতুন উপাচার্য শেখ শরীফুল আলম।






















