ফটিকছড়িতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ে পড়ে থাকা এক নবজাতক কন্যাশিশুর দায়িত্ব নিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন ১২৩টি পরিবার। শিশুটিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঝোপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করেন স্থানীয় লোকজন।
শিশুটির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এখন উপযুক্ত পরিবার খুঁজছে উপজেলা প্রশাসন। দত্তক নিতে একদিনেই ১২৩টি আবেদন জমা পড়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তবে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলেও শেষ পর্যন্ত কোন পরিবার শিশুটির দায়িত্ব পাবে, তা নির্ধারণ করা হবে যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।
জানা গেছে, আবেদনকারীদের পারিবারিক পরিবেশ, আর্থিক সামর্থ্য, শিশুর যত্ন নেওয়ার সক্ষমতা এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। শুধু আর্থিক সচ্ছলতা নয়, শিশুটির বেড়ে ওঠার জন্য নিরাপদ ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। আবেদন জমা দিলেই দত্তক নেওয়ার সুযোগ মিলবে না; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই শেষে আইন অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, শিশুটিকে দত্তক নিতে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। উপযুক্ত পরিবার নির্বাচনের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার পাইন্দং ইউনিয়নের উত্তর পাইন্দং এলাকার আমতলীতে সড়কের পাশের ঝোপঝাড় থেকে শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় লোকজন শিশুকে ঝোপের মধ্যে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে ফটিকছড়ি থানা-পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসকরা জানান, শিশুটির শারীরিক অবস্থা ভালো রয়েছে।






















