এশিয়ার সেরা দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ হকি দল। প্রতিপক্ষের শক্তি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন থাকলেও পিছিয়ে থাকতে নারাজ অধিনায়ক আশরাফুল ইসলাম। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের উজাড় করে দিয়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনাই বাংলাদেশ দলের মূল লক্ষ্য।
এই প্রত্যয় নিয়েই শুক্রবার সকালে ভারতের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের পাঞ্জাবের জলন্ধর ও মোহালিতে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান হকির মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতা। টুর্নামেন্টে এশিয়ার শক্তিশালী পাঁচ দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। স্বাগতিক ভারত ছাড়াও প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে জাপান, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।
দেশ ছাড়ার আগে অধিনায়ক আশরাফুল বলেন, ‘আমরা এই টুর্নামেন্টের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি। এশিয়ার সেরা দলগুলোর বিপক্ষে খেলাটা সব সময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে আমাদের লক্ষ্য থাকবে প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়া এবং দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনা। ’ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে প্রায় দুই সপ্তাহ নিবিড় অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল।
প্রস্তুতিতে খেলোয়াড়দের ফিটনেস, কৌশলগত দক্ষতা ও দলীয় সমন্বয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন কোচিং স্টাফরা। অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দলটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হকি উপহার দিতে চায়। লিগ পর্বে ২৭ অক্টোবর স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২৯ অক্টোবর জাপান, ৩০ অক্টোবর মালয়েশিয়া, ১ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়া এবং ২ নভেম্বর চীনের মুখোমুখি হবে আশরাফুলের দল।
লিগ পর্বের কঠিন পরীক্ষায় নিজেদের সামর্থ্যরে প্রমাণ দিতে পারলে পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে বাংলাদেশের সামনে। সূচি অনুযায়ী, ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল ও স্থান নির্ধারণী ম্যাচ। পরদিন ৫ নভেম্বর হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল। এশিয়ার শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে লড়াইয়ে বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। তবে প্রস্তুতিতে নেওয়া কৌশল মাঠে কাজে লাগিয়ে প্রতিটি ম্যাচে ভালো খেলার প্রত্যাশা নিয়ে ভারত গেছে দলটি।
এখন সেই প্রস্তুতির প্রতিফলন ঘটানোর পালা মাঠে।





















