ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। এতে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার পথ অনেকটা কঠিন হয়েছে। যদিও বাংলাদেশের হাতে এখনো একটা ম্যাচ বাকি। কিন্তু আগামী বুধবারের ওই ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জিতলেই চলবে না, ফাইনালে উঠতে হলে বাংলাদেশকে মেলাতে হবে বেশ কিছু সমীকরণ।
সেই সমীকরণ বুঝতে আগে পয়েন্ট টেবিলের অবস্থা দেখে নেওয়া যাক। এখন পর্যন্ত এক ম্যাচ খেলে কোনো পয়েন্ট নিতে পারেনি বাংলাদেশ। উল্টো হারের ব্যবধান বড় হওয়ায় বাংলাদেশের নামের পাশে নেট রানরেট -১.৯৮০।
অন্যদিকে আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ে দুদলই একটি করে ম্যাচ জিতে ২ পয়েন্ট পেয়েছে। এর মধ্যে জিম্বাবুয়ে দুটি ম্যাচ খেলেছে এবং তাদের নেট রানরেট -০.৫৯০। আর এক ম্যাচ খেলা আফগানিস্তানের রানরেট ৩.১৬০।
বাস্তবতা বিবেচনায়, ফাইনালে উঠতে হলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে তো জিততে হবেই, পাশাপাশি নেট রানরেটে ছাড়িয়ে যেতে হবে জিম্বাবুয়েকে। আর সেটার জন্য বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ অপেক্ষা করছে, তা নিচে দেওয়া হলো-
আগামী বুধবারের ম্যাচে আফগানিস্তান আগে ব্যাটিং করে যদি ২০০ রান করে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ম্যাচ জিততে হবে ৪০.৩ ওভারের মধ্যে। লক্ষ্য ২৫১ রানের হলে, বাংলাদেশকে ম্যাচ জিততে হবে ৪১.৩ ওভারের মধ্যে। আরেকটু বেড়ে লক্ষ্য ২৮১ রানের হলে, ৪২ ওভারের মধ্যেই ম্যাচ শেষ করতে হবে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। আর আফগানিস্তান যদি ৩০০ রান করে, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশকে জিততে হবে ৪২.২ ওভারের মধ্যে।
বুধবারের ম্যাচে যদি বাংলাদেশ আগে ব্যাটিং করে, তাহলে সমীকরণটা খুব সহজ। বাংলাদেশকে জিততে হবে ৪১ রানের ব্যবধানে। অর্থাৎ, বাংলাদেশ যদি আগে ব্যাটিং করে ৩০০ রান করে, তাহলে আফগানিস্তানকে অন্তত ২৫৯ রানের মধ্যে আটকে দিতে হবে।
আর এই সমীকরণ মেলাতে পারলে, রানরেটে জিম্বাবুয়েকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। তখন আগামী শুক্রবারের ফাইনালে আবারও আফগানিস্তানকেই প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে বাংলাদেশ!
ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে পেতে চাইলে-
আগামী বুধবার আগে ব্যাটিং করে বাংলাদেশ যদি আফগানিস্তানকে ২১৮ রান বা তার চেয়ে বেশি ব্যবধানে হারাতে পারে, তাহলে রানরেটে সবার তলানিতে নেমে যাবে আফগানরা। তখন শুক্রবারের ফাইনালে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে!

























