আজ বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ০৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৪°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৪°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

কক্সবাজারে ইকো-রিসোর্টের নামে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা, নেই অগ্নিনিরাপত্তা

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:58:59 am, Tuesday, 20 October 2026
  • 25

কক্সবাজারে ইকো-রিসোর্টের নামে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা, নেই অগ্নিনিরাপত্তা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে ছুটে যান দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা। কিন্তু তাদের থাকার রিসোর্টগুলো কতটা নিরাপদ? ইনানীতে আগুনে ১০ জনের মৃত্যুর পর সামনে এসেছে মেরিন ড্রাইভজুড়ে অগ্নিঝুঁকির ভয়াবহ চিত্র। শত শত হোটেল-মোটেলে নেই নিরাপত্তা সনদ, অনেক স্থাপনার নেই প্রয়োজনীয় অনুমোদনও। এরপরও বছরের পর বছর চলছে এসব স্থাপনা।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটারে গড়ে উঠেছে রিসোর্ট। কাঠ, বাঁশ আর ছনের মতো দাহ্য উপকরণে তৈরি অনেক স্থাপনা। এর মধ্যেই একটিতে আগুনে প্রাণ গেছে ১০ জনের।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ‘এসব রিসোর্টে বিলাসী আয়োজন থাকলেও উপেক্ষিত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঝুঁকি নিয়েই থাকতে হচ্ছে পর্যটকদের।’

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার ফজলে রাব্বী বলেন, ‘কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট অন্তত আড়াই হাজার। এর মধ্যে ৪০০টিতেই নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ। নেই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, জনবল সংকট ও সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছে জেলা প্রশাসন।

আগুনে হতাহতের ঘটনার পর রিসোর্টগুলোর নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন পর্যটকেরা।

দেশের পর্যটনের ব্রান্ড বলা হয় কক্সবাজারকে। তবে অনুমোদনহীন ও অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এসব হোটেল মোটেল রিসোর্টগুলো পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। তাই এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এখন সময়ের দাবি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের র‌্যাম বাড়াতে যা করবেন

কক্সবাজারে ইকো-রিসোর্টের নামে ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনা, নেই অগ্নিনিরাপত্তা

Update Time : 02:58:59 am, Tuesday, 20 October 2026

সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করতে কক্সবাজারে ছুটে যান দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা। কিন্তু তাদের থাকার রিসোর্টগুলো কতটা নিরাপদ? ইনানীতে আগুনে ১০ জনের মৃত্যুর পর সামনে এসেছে মেরিন ড্রাইভজুড়ে অগ্নিঝুঁকির ভয়াবহ চিত্র। শত শত হোটেল-মোটেলে নেই নিরাপত্তা সনদ, অনেক স্থাপনার নেই প্রয়োজনীয় অনুমোদনও। এরপরও বছরের পর বছর চলছে এসব স্থাপনা।

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভের ৮০ কিলোমিটারে গড়ে উঠেছে রিসোর্ট। কাঠ, বাঁশ আর ছনের মতো দাহ্য উপকরণে তৈরি অনেক স্থাপনা। এর মধ্যেই একটিতে আগুনে প্রাণ গেছে ১০ জনের।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ‘এসব রিসোর্টে বিলাসী আয়োজন থাকলেও উপেক্ষিত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঝুঁকি নিয়েই থাকতে হচ্ছে পর্যটকদের।’

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অথরাইজড অফিসার ফজলে রাব্বী বলেন, ‘কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট অন্তত আড়াই হাজার। এর মধ্যে ৪০০টিতেই নেই অগ্নিনিরাপত্তা সনদ। নেই উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনও।’

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, জনবল সংকট ও সংস্থাগুলোর সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করছে জেলা প্রশাসন।

আগুনে হতাহতের ঘটনার পর রিসোর্টগুলোর নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন পর্যটকেরা।

দেশের পর্যটনের ব্রান্ড বলা হয় কক্সবাজারকে। তবে অনুমোদনহীন ও অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা এসব হোটেল মোটেল রিসোর্টগুলো পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। তাই এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া এখন সময়ের দাবি।