বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি ডলারের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও আর্থিক খাতের সংস্কারকে গুরুত্ব দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত কমে প্রায় ৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা বিশ্বের সর্বনিম্ন পর্যায়ের মধ্যে।
একই সঙ্গে আর্থিক খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর সোনালী জৈন-চন্দ্র। তিনি বলেন, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে।
পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার যথাসময়ে বাস্তবায়ন জরুরি। বাংলাদেশের জন্য নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও আর্থিক খাতের সংস্কারসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছে আইএমএফ।
এসব সংস্কারের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ নতুন করে আইএমএফের কাছ থেকে ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে। প্রস্তাবিত কর্মসূচিতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতের সংস্কার, বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা এবং ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।






















