চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নেওয়ার পর যুদ্ধে পাঠিয়ে ২০ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় মূলহোতা মিজানসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি। বুধবার বাহিনীটি জানায়, জাবালে নূর, এসআর এবং টিএস নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩০ বাংলাদেশি রাশিয়ায় যান। ২১ দিনের ট্রেনিং শেষে তাদের যুদ্ধে পাঠানো হলে ২০ জন নিহত হন। এছাড়া আশঙ্কাজনক অবস্থায় মস্কোর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দুজন এবং ছয়জন এখনও যুদ্ধে লড়ছেন।
এ যেন জীবনযুদ্ধে অবতীর্ণদের সামরিক যুদ্ধ ক্ষেত্রে সরাসরি মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেওয়ার গল্প।
ভুয়া এজেন্ট ও মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে অনেকেই রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ জীবন পার করছেন। উচ্চ বেতনে চাকরির কথা বলে যুদ্ধে পাঠানোর চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয়।
রাশিয়ায পৌঁছানোর পর সাধারণ চাকরির পরিবর্তে জোর করে সামরিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করানো হয়। পরে সামরিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তাদেরকে পাঠানো হয় ইউক্রেন যুদ্ধের ময়দানে।
এসআরবি-১০ এর অধিনায়ক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জাবালে নূর, এসআর এবং টিএস নামে ৩ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩০ জন রাশিয়া যায়। তবে তারা চাকরি পায়নি। ২১ দিনের প্রশিক্ষণ দিয়ে পাঠানো হয় যুদ্ধে। তাদের মধ্যে ২০ জনই মারা গেছেন।’
পাচার চক্রের ফাঁদে পড়া ৬ জন এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে রয়েছে বলে জানায় এসআরবি। বাকি দুইজন মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছে মস্কোর হাসপাতালে।
এসআরবি জানিয়েছে, বারবার দেশে ফেরার আকুতি জানালেও তা কানে তোলেনি মানব পাচারকারীরা।

























