সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম মসজিদসংলগ্ন সড়কে বদরুল আলম নামে এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
‎নিহত বদরুল আলম উপজেলার হাদারপার গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে। তিনি রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের পদপ্রত্যাশী ছিলেন। তিনি দুই ছেলের জনক। ‎নিহতের সঙ্গে থাকা সাদেক হোসেন জানান, বদরুল আলম ও তিনি মনরতল বাজার থেকে হাদারপারে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। এ সময় তাদের সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা ছিল।
গোরাগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাদের পথরোধ করে টাকা, মোবাইল ফোন ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে বদরুল আলম বাধা দিলে হামলাকারীরা দা, চাকু, ছুলফিসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই বদরুল আলমের মৃত্যু হয়। সাদেক হোসেন প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গেছে। ‎পরে স্থানীয়রা বদরুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার মরদেহ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের মর্গে ছিল। ‎নিহত বদরুলের সাথে থাকা সাদেক হোসেন জানান, স্থানীয় গোরাগ্রাম গ্রামের মুহিবুর রহমানের পুত্র শাহীনুর রহমান (২৯), মামুন আহমদ (৩৪), আমিনুর রশিদ (৩২), তুহিন আহমদ (২৫), সুহিন আহমদ (২৩) ও উপরগ্রাম গ্রামের আব্দুস শহীদ ওরফে শহীদ দার পুত্র নোমান আহমদ এ সময় তাদের ওপর হামলা করেন।
‎খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ওসি ওমর ফারুক মোড়লের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ওসি জানিয়েছেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ‎বদরুল আলমের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এ ঘটনায় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক প্রকাশ করেছেন।






















