আজ শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
বৃষ্টি
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৪°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৮%

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নীতিমালা

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:05:49 am, Thursday, 8 October 2026
  • 14
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাজধানীর সড়কে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা। প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনা, দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি যারা তৈরি করেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা হচ্ছে। দেওয়া হবে নিবন্ধন। তবে মূল সড়কে কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না।

যতই দিন যাচ্ছে ততই বেপরোয়া হচ্ছে ইজিবাইক ও অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা। যেখানে সেখানে পার্কিং, ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠানামা। রাজধানীর প্রধান সড়কে প্রতিদিনই দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। চরম দুর্ভোগে পড়ছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ পথচারীরা।

এ বাস্তবতায় অভিযানে অটোরিকশা তৈরির মালামাল জব্দ করছে ডিএমপি। পুলিশ বলছে, অলি গলি বা প্রধান সড়ক, অটোরিকশা চললেই ডাম্পিং করা হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি–মিডিয়া) উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন বলেন, মহাসড়ক ও অলিগলিতে যাতে অটোরিকশা চলতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা কাজ করি। প্রথমত তাদের নিষেধ করি। তারপরও মূল সড়কে উঠলে ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করি।

তবে রোড পারমিট ও চালকদের প্রশিক্ষণ এবং গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করাসহ ৪ দাবিতে আন্দোলনে নামে ব্যাটারি রিকশা চালক ও মালিকরা।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যানজট ও দুর্ঘটনার বড় কারণ ব্যাটারি রিকশা। তবে, রিকশা চালক নয়, ব্যবস্থা নিতে হবে ব্যাটারি উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, যানজট তৈরি হচ্ছে, দুর্ঘটনা শঙ্কা বাড়ছে। এর ফলে অবৈধ লাইনে চার্জ দেওয়ায় বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। এই রিকশার গতি থাকার কারণে যাত্রী ঝাঁকির মধ্যে থাকে, এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানান, নতুন নীতিমালায় কোনভাবেই মূল সড়কে ব্যাটারি রিকশা চলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, অটোরিকশার যে দৈরাত্ম্য; এটাকেও আমরা একটা নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছি। লাইসেন্স থাকতে হবে, নির্দিষ্ট রাস্তায় চলাচল করতে হবে।

রাজধানীতে আনুমানিক ২৫ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলে। প্রতিদিন যুক্ত হয় এক থেকে দেড় হাজার অটোরিকশা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

টেস্ট ইতিহাসে প্রথমবার অনন্য অভিজ্ঞতার মুখোমুখি বাংলাদেশ

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নীতিমালা

Update Time : 10:05:49 am, Thursday, 8 October 2026

রাজধানীর সড়কে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা। প্রতিদিনই বাড়ছে দুর্ঘটনা, দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি যারা তৈরি করেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা হচ্ছে। দেওয়া হবে নিবন্ধন। তবে মূল সড়কে কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না।

যতই দিন যাচ্ছে ততই বেপরোয়া হচ্ছে ইজিবাইক ও অবৈধ ব্যাটারি অটোরিকশা। যেখানে সেখানে পার্কিং, ইচ্ছেমতো যাত্রী ওঠানামা। রাজধানীর প্রধান সড়কে প্রতিদিনই দেখা দিচ্ছে তীব্র যানজট। চরম দুর্ভোগে পড়ছেন কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ পথচারীরা।

এ বাস্তবতায় অভিযানে অটোরিকশা তৈরির মালামাল জব্দ করছে ডিএমপি। পুলিশ বলছে, অলি গলি বা প্রধান সড়ক, অটোরিকশা চললেই ডাম্পিং করা হবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি–মিডিয়া) উপ-পুলিশ কমিশনার আকতার হোসেন বলেন, মহাসড়ক ও অলিগলিতে যাতে অটোরিকশা চলতে না পারে সে ব্যাপারে আমরা কাজ করি। প্রথমত তাদের নিষেধ করি। তারপরও মূল সড়কে উঠলে ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করি।

তবে রোড পারমিট ও চালকদের প্রশিক্ষণ এবং গ্যারেজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করাসহ ৪ দাবিতে আন্দোলনে নামে ব্যাটারি রিকশা চালক ও মালিকরা।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যানজট ও দুর্ঘটনার বড় কারণ ব্যাটারি রিকশা। তবে, রিকশা চালক নয়, ব্যবস্থা নিতে হবে ব্যাটারি উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ সাইফুন নেওয়াজ বলেন, যানজট তৈরি হচ্ছে, দুর্ঘটনা শঙ্কা বাড়ছে। এর ফলে অবৈধ লাইনে চার্জ দেওয়ায় বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে। এই রিকশার গতি থাকার কারণে যাত্রী ঝাঁকির মধ্যে থাকে, এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানান, নতুন নীতিমালায় কোনভাবেই মূল সড়কে ব্যাটারি রিকশা চলতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, অটোরিকশার যে দৈরাত্ম্য; এটাকেও আমরা একটা নীতিমালার মধ্যে নিয়ে আসতে চাচ্ছি। লাইসেন্স থাকতে হবে, নির্দিষ্ট রাস্তায় চলাচল করতে হবে।

রাজধানীতে আনুমানিক ২৫ লাখ ব্যাটারি রিকশা চলে। প্রতিদিন যুক্ত হয় এক থেকে দেড় হাজার অটোরিকশা।