আজ বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
বৃষ্টি
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬৫%

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ভোগান্তি, মিলছে না অনলাইন সেবা

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:19:16 pm, Tuesday, 6 October 2026
  • 19

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ভোগান্তি, মিলছে না অনলাইন সেবা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শতভাগই হওয়ার কথা অনলাইনে। কিন্তু বাস্তবতা উল্টো। শুধু আবেদনই করা যাচ্ছে অনলাইনে। এরপর সনদ হাতে পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই যেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে। এতে একদিনে নষ্ট হচ্ছে সময়। পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল, সহজ ও হয়রানিমুক্ত হবে,জন্মমৃত্যু নিবন্ধন দিবসে এই প্রত্যাশা নাগরিকদের।

রাজধানীর ধানমন্ডির বাসিন্দা রবিউল ইসলাম। গুলিস্তানে ঢাকা দক্ষিণের নগর ভবন থেকে সংগ্রহ করছেন জন্মনিন্ধন সনদ। তবে এটি পেতে নগর ভবনে দুই দিন এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যেতে হয়েছে একদিন।

এমন বিড়ম্বনার শিকার প্রায় প্রত্যেকেই। আবেদন অনলাইনে; তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে সরাসরি উপস্থিত হতে হয় সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদে। সেই সনদ সংগ্রহ করতে সময় লাগে এক থেকে তিন দিন পর্যন্ত।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদনের পরও সরাসরি অফিসে গিয়ে কাগজপত্র জমা ও সনদ সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্টজনেরা।

নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, আমরা অনেক সেবা দেখেছি, নামমাত্র অনলাইন, কিন্তু সশরীরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সরকারকে অবশ্যই পুরোপুরি ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রতিটি ধাপ সহজ ও কম সময়ে সম্পন্ন করার জন্য উদ্যোগের কথা জানালেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইতোমধ্যে দু–তিন বার এটা নিয়ে মিটিং করেছি; যাতে দুর্ভোগ এড়ানো যায়। টোটালি অটোমেশনের মাধ্যমে এটার পরিকল্পনা আমাদের আছে। জনভোগান্তি দূরকরণে যা যা করা দরকার আমরা করব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বিষয়গুলো দেখেন। যেগুলোর মধ্যে সমন্বয় নেই, সেখানে সমন্বয়ের চেষ্টা তিনি করছেন। এগুলো সহজ হবে আস্তে আস্তে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের তথ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে জন্ম নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ৫৮ লাখ ৪৮ হাজার।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

তাঁতীবাজারে প্রিজন ভ্যান থেকে যেভাবে পালিয়ে গেলেন পিচ্চি রাজা, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে ভোগান্তি, মিলছে না অনলাইন সেবা

Update Time : 12:19:16 pm, Tuesday, 6 October 2026

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শতভাগই হওয়ার কথা অনলাইনে। কিন্তু বাস্তবতা উল্টো। শুধু আবেদনই করা যাচ্ছে অনলাইনে। এরপর সনদ হাতে পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই যেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে। এতে একদিনে নষ্ট হচ্ছে সময়। পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি। পুরো প্রক্রিয়াই ডিজিটাল, সহজ ও হয়রানিমুক্ত হবে,জন্মমৃত্যু নিবন্ধন দিবসে এই প্রত্যাশা নাগরিকদের।

রাজধানীর ধানমন্ডির বাসিন্দা রবিউল ইসলাম। গুলিস্তানে ঢাকা দক্ষিণের নগর ভবন থেকে সংগ্রহ করছেন জন্মনিন্ধন সনদ। তবে এটি পেতে নগর ভবনে দুই দিন এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যেতে হয়েছে একদিন।

এমন বিড়ম্বনার শিকার প্রায় প্রত্যেকেই। আবেদন অনলাইনে; তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে সরাসরি উপস্থিত হতে হয় সিটি করপোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদে। সেই সনদ সংগ্রহ করতে সময় লাগে এক থেকে তিন দিন পর্যন্ত।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে আবেদনের পরও সরাসরি অফিসে গিয়ে কাগজপত্র জমা ও সনদ সংগ্রহের এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশিষ্টজনেরা।

নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, আমরা অনেক সেবা দেখেছি, নামমাত্র অনলাইন, কিন্তু সশরীরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। সরকারকে অবশ্যই পুরোপুরি ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের প্রতিটি ধাপ সহজ ও কম সময়ে সম্পন্ন করার জন্য উদ্যোগের কথা জানালেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ইতোমধ্যে দু–তিন বার এটা নিয়ে মিটিং করেছি; যাতে দুর্ভোগ এড়ানো যায়। টোটালি অটোমেশনের মাধ্যমে এটার পরিকল্পনা আমাদের আছে। জনভোগান্তি দূরকরণে যা যা করা দরকার আমরা করব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি বিষয়গুলো দেখেন। যেগুলোর মধ্যে সমন্বয় নেই, সেখানে সমন্বয়ের চেষ্টা তিনি করছেন। এগুলো সহজ হবে আস্তে আস্তে।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের তথ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে জন্ম নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ৫৮ লাখ ৪৮ হাজার।