যশোরের চার উপজেলায় একজন সাব-রেজিস্ট্রার থাকায় জমি রেজিস্ট্রেশনের জন্য সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সপ্তাহের এক দিনের বরাদ্দ হিসেবে কেশবপুরের ভাগে পড়েছে সোমবার। সেই একদিনে জমি রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
কেশবপুর দলিল লেখক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান কেশবপুরে যিনি সাব-রেজিস্ট্রার আছেন তার নাম শাহীন আলম। তিনি মূলত ঝিকরগাছা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার। চৌগাছা, বাঘারপাড়া ও কেশবপুর উপজেলা তিনি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চার অফিসে দায়িত্ব পালন করায় সপ্তাহের এক দিন সোমবার কেশবপুরে আসেন। ফলে সারা সপ্তাহের কাজ এক দিনে করতে সবাইকে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। সপ্তাহের এক দিনে ১৫০ থেকে ২০০ দলিল সম্পন্ন করতে গভীর রাত হয়ে যায়। দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান বলেন, জনভোগান্তি এড়াতে স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার থাকলে কোনো সমস্যা হতো না। বর্তমান সাব-রেজিস্ট্রার শাহীন আলম ঝিকরগাছার দায়িত্ব পালন করলেও অতিরিক্ত আরও তিন উপজেলার দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আরও বলেন, ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত স্থায়ী সাব-রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।






















