আজ মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
২১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭৫%

নিজস্ব জমি না থাকায় বরিশালে বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার থমকে আছে

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:51:05 pm, Monday, 5 October 2026
  • 19

নিজস্ব জমি না থাকায় বরিশালে বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার থমকে আছে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বরিশাল বিভাগের ৪৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি না থাকায় জরাজীর্ণ অনেক ভবনের সংস্কার থমকে আছে। পাঁচ শতাধিক স্কুলের জমির রেকর্ড ও কাগজপত্রের সঠিক তথ্য নেই। ঝুঁকি নিয়ে এসব স্কুলে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। তবে দ্রুত জটিলতা নিরসনের আশ্বাস শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের।

নিয়ম অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শহরে ১০ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলের জন্য ৩৩ শতাংশ জমি থাকা বাধ্যতামূলক। আর এই জমির মালিকানা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসকের নামে থাকলে সহজ হয় সরকারি বরাদ্দ পাওয়া।

কিন্তু বরিশালের অনেক স্কুলেরই রেকর্ড থেকে শুরু করে কোনো কাগজপত্রের হদিস নেই। এ কারণে জরাজীর্ণ অনেক ভবন মেরামতও করা যাচ্ছে না। কারণ মালিকানা সংক্রান্ত কারণে মিলছে না বরাদ্দ।

বরিশাল সদর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন খলিফা বলেন, ‘অভিযোগ পেলেও আইনি জটিলতায় নেয়া যাচ্ছে না ব্যবস্থা।’

বরিশাল সিটি কপোরেশন এলাকায় ৮৩ বছরের পুরনো দিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১০টি শ্রেণিকক্ষের সবগুলোই যে কোন সময় ধ্বসে পড়তে পারে। কিন্তু জমির মালিকানা স্কুলের না থাকায় করা যাচ্ছে না সংস্কার কাজও।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার এবং এসব স্কুলের উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।’

বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে বরগুনার ৩৭৩টি স্কুলের নেই নিজস্ব কোনো জমি। পটুয়াথালীতে ৭৩টি, ঝালকাঠিতে ৫২টি এবং পিরোজপুরের ২২টি স্কুলের অবস্থাও একই।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে পরিচ্ছন্নতার কাজে ভবঘুরে শিশু

নিজস্ব জমি না থাকায় বরিশালে বিদ্যালয়ের ভবন সংস্কার থমকে আছে

Update Time : 05:51:05 pm, Monday, 5 October 2026

বরিশাল বিভাগের ৪৫ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিজস্ব জমি না থাকায় জরাজীর্ণ অনেক ভবনের সংস্কার থমকে আছে। পাঁচ শতাধিক স্কুলের জমির রেকর্ড ও কাগজপত্রের সঠিক তথ্য নেই। ঝুঁকি নিয়ে এসব স্কুলে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। তবে দ্রুত জটিলতা নিরসনের আশ্বাস শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের।

নিয়ম অনুযায়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য শহরে ১০ শতাংশ এবং গ্রামাঞ্চলের জন্য ৩৩ শতাংশ জমি থাকা বাধ্যতামূলক। আর এই জমির মালিকানা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব, জেলা প্রশাসকের নামে থাকলে সহজ হয় সরকারি বরাদ্দ পাওয়া।

কিন্তু বরিশালের অনেক স্কুলেরই রেকর্ড থেকে শুরু করে কোনো কাগজপত্রের হদিস নেই। এ কারণে জরাজীর্ণ অনেক ভবন মেরামতও করা যাচ্ছে না। কারণ মালিকানা সংক্রান্ত কারণে মিলছে না বরাদ্দ।

বরিশাল সদর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাছির উদ্দিন খলিফা বলেন, ‘অভিযোগ পেলেও আইনি জটিলতায় নেয়া যাচ্ছে না ব্যবস্থা।’

বরিশাল সিটি কপোরেশন এলাকায় ৮৩ বছরের পুরনো দিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১০টি শ্রেণিকক্ষের সবগুলোই যে কোন সময় ধ্বসে পড়তে পারে। কিন্তু জমির মালিকানা স্কুলের না থাকায় করা যাচ্ছে না সংস্কার কাজও।

প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, ‘দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার এবং এসব স্কুলের উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।’

বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে বরগুনার ৩৭৩টি স্কুলের নেই নিজস্ব কোনো জমি। পটুয়াথালীতে ৭৩টি, ঝালকাঠিতে ৫২টি এবং পিরোজপুরের ২২টি স্কুলের অবস্থাও একই।