আসন্ন দুর্গাপূজার আগে শৈলকুপার কুমার নদ থেকে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। গত ২৬ সেপ্টেম্বর ‘রূপালী বাংলাদেশ’ পত্রিকায় ‘কচুরিপানায় বিপর্যস্ত শৈলকুপার কুমার নদ, দুর্গাপূজার আগে অপসারণের দাবি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এর কয়েক দিন ধরে শহরের ডোলভিটা থেকে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এতে প্রতিমা বিসর্জন নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কুমার নদ প্রতি বছর দুর্গাপূজার প্রতিমা বিসর্জনের প্রধান ও একমাত্র স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নদের দুই তীরে শহর ও আশপাশের এলাকায় অন্তত ৩০০ হিন্দু পরিবারের বসবাস।
বিসর্জনের দিন ডোলভিটা থেকে নতুন ব্রিজ পর্যন্ত নদজুড়ে তৈরি হয় উৎসবের আমেজ। তবে এবার দুর্গাপূজার আগে কুমার নদ কচুরিপানায় প্রায় ঢেকে যাওয়ায় নৌযান চলাচল নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি কচুরিপানার কারণে মশার উপদ্রবও বেড়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দ্রুত কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানান। সংবাদ প্রকাশের পর পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে কুমার নদ থেকে কচুরিপানা অপসারণে কাজ শুরু করেছে।
এ ব্যাপারে নগরপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি ও পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব রায় বলেন, ‘কুমার নদে এই কচুরিপানা আমাদের এবার ভাবিয়ে তুলছিল। দ্রুত অপসারণ না করলে এবার প্রতিমা বিসর্জন ও বিশাল আনন্দ সত্যিই মাটি হয়ে যেত। পৌর প্রশাসন ও বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও মাহফুজুর রহমান এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুজ্জামানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।





















