কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ঘটনায় দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক মামলায় স্থানীয় এক সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন দৈনিক সময়ের আলো পত্রিকার পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রতিনিধি মো. আবুল হোসেনের বড় ভাই ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল হক।
পরিবারের অভিযোগ, গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাংবাদিক আবুল হোসেনের মায়ের সাথে তার চাচা মাসুম মিয়ার মায়ের পারিবারিক বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। বিষয়টি নিষ্পত্তির কথা বলে কিছুক্ষণ পর আবুল হোসেনকে থানায় ডেকে নেন পাকুন্দিয়া থানার ওসি। থানায় যাওয়ার পর ওসি মো. আরিফুল ইসলাম তাকে আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ দিয়ে এবং এআই দিয়ে তৈরি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার ছবি দেখিয়ে তাকে আটক করেন।
এ দিন তড়িঘড়ি করে আবুল হোসেনকে ২০২৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পাকুন্দিয়া থানায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নামে বিস্ফোরক আইনে দায়ের হওয়া একটি মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। সাংবাদিক আবুল হোসেনের বড় ভাইয়ের অভিযোগ, তার ভাই কোন রাজনৈতিক দলের সাথে কখনো জড়িত ছিলেন না। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ভূয়া ছবি তৈরি করে পুলিশকে ব্যবহার করে তাকে অন্যায়ভাবে মিথ্যা মামলায় আটক করে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে এ ঘটনায় আটক সাংবাদিক মো. আবুল হোসেনকে অবিলম্বে মুক্তি ও ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়। পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিক আবুল হোসেনের উপস্থাপিত পারিবারিক বিরোধ সংক্রান্ত অভিযোগটি সঠিক নয়। তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার বিষয়ে আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ ও তথ্য রয়েছে।
ওসি বলেন, এর মধ্যে তার ফেসবুকের বিভিন্ন স্ট্যাটাসসহ অন্যান্য তথ্য-উপাত্তও রয়েছে। তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এসব প্রমাণের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।






















