নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসায় বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় দগ্ধ ৫ ছাত্রীর মধ্যে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তাদের মধ্যে জিদনি (১৪) বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ও আতিয়া (১১) মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মারা যায়।
তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ইমার্জেন্সি) ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার জানান, জিদনির শরীরের ৮২ শতাংশ ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্ন হয়েছিল। অন্যদিকে আতিয়ার শরীরের ৪৫ শতাংশ বার্ন ছিল। এ ঘটনায় দগ্ধ লামিয়া (১৩) এখনো আইসিইউতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তার শরীরের ৫৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। অন্যদিকে আছিয়া ও সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন মহিলা মাদ্রাসার ছাদে পাঁচ আবাসিক ছাত্রী দগ্ধ হয়। ঘটনার সময় ছাত্রীদের কাছে থাকা পাতাযুক্ত আখ ৩৩ হাজার ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে বৈদ্যুতিক ফ্ল্যাশের সৃষ্টি হয়। এতে পাঁচ ছাত্রী দগ্ধ হয়।


















