আজ বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩০°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪১%

পরিবহন ও সংরক্ষণের জটিলতায় বছরে নষ্ট হচ্ছে ৫০ লাখ টন সবজি ও মশলা

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:04:09 pm, Wednesday, 30 September 2026
  • 8

পরিবহন ও সংরক্ষণের জটিলতায় বছরে নষ্ট হচ্ছে ৫০ লাখ টন সবজি ও মশলা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

প্রতিবছর ৩০ হাজার কোটি টাকার সবজি ও মশলা নষ্ট হয় পরিবহন ও সংরক্ষণের সময়। গবেষকরা বলছেন, উৎপাদন থেকে বাজারজাত বিভিন্ন ধাপে আলু, টমেটোসহ ১০ ধরনের সবজি বেশি নষ্ট হচ্ছে। গ্রামীণ সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে ফসলের অপচয় কমানো সম্ভব, বলছেন তারা।

দেশে প্রতি বছর ৫০ লাখ টন সবজি ও মসলা নষ্ট হয় পরিবহন ও সংরক্ষণ জটিলতায়। উৎপাদন থেকে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই নষ্ট হচ্ছে ফসল। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে কৃষকের বড় লোকসানের পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ও চর উন্নয়ন গবেষনা কেন্দ্র – সিডিআরসির ১৪ বছরের গবেষণায় দেখা গেছে আলু, টমেটো, পেঁয়াজ ও বাঁধাকপিসহ ১০ ধরনের সবজি সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয়। এর বড় একটি অংশই উৎপাদন করেন গ্রামের দরিদ্র কৃষকেরা।

পরিবহনের সময় অসতর্কতার কারণে অনেক সময় সবজি ও মশলার ক্ষতি হয়, বলছেন চাষিরা। এছাড়া, পর্যাপ্তসংখ্যক বিশেষায়িত হিমাগার না থাকায় সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় ফসল।

বগুড়া সিডিআরসির সিনিয়র টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার ড. এ কে এম জাকারিয়া বলেন, ‘গ্রামীণ সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা গেলে ফসলের অপচয় কমানো সম্ভব।’

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ফল ও শাকসবজি নষ্টের হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ। আর বাংলাদেশে এ হার ২০ থেকে ৪৪ শতাংশ। উৎপাদনের পর ফসলের অপচয় রোধ এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’

ফসল সংরক্ষণে গ্রামীণ উদ্ভাবনী পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও ব্যবহারের মাধ্যমে সবজি ও মসলার অপচয় ১৮ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব, জানিয়েছেন গবেষকেরা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

শরতের ছোঁয়ায় উত্তরাঞ্চলের চরে ফুটল কাশফুল

পরিবহন ও সংরক্ষণের জটিলতায় বছরে নষ্ট হচ্ছে ৫০ লাখ টন সবজি ও মশলা

Update Time : 10:04:09 pm, Wednesday, 30 September 2026

প্রতিবছর ৩০ হাজার কোটি টাকার সবজি ও মশলা নষ্ট হয় পরিবহন ও সংরক্ষণের সময়। গবেষকরা বলছেন, উৎপাদন থেকে বাজারজাত বিভিন্ন ধাপে আলু, টমেটোসহ ১০ ধরনের সবজি বেশি নষ্ট হচ্ছে। গ্রামীণ সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নের মাধ্যমে ফসলের অপচয় কমানো সম্ভব, বলছেন তারা।

দেশে প্রতি বছর ৫০ লাখ টন সবজি ও মসলা নষ্ট হয় পরিবহন ও সংরক্ষণ জটিলতায়। উৎপাদন থেকে ক্রেতার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই নষ্ট হচ্ছে ফসল। গবেষকরা বলছেন, এর ফলে কৃষকের বড় লোকসানের পাশাপাশি ঝুঁকিতে পড়ছে খাদ্য নিরাপত্তা।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ও চর উন্নয়ন গবেষনা কেন্দ্র – সিডিআরসির ১৪ বছরের গবেষণায় দেখা গেছে আলু, টমেটো, পেঁয়াজ ও বাঁধাকপিসহ ১০ ধরনের সবজি সবচেয়ে বেশি নষ্ট হয়। এর বড় একটি অংশই উৎপাদন করেন গ্রামের দরিদ্র কৃষকেরা।

পরিবহনের সময় অসতর্কতার কারণে অনেক সময় সবজি ও মশলার ক্ষতি হয়, বলছেন চাষিরা। এছাড়া, পর্যাপ্তসংখ্যক বিশেষায়িত হিমাগার না থাকায় সংরক্ষণের অভাবে নষ্ট হয় ফসল।

বগুড়া সিডিআরসির সিনিয়র টেকনিক্যাল এ্যাডভাইজার ড. এ কে এম জাকারিয়া বলেন, ‘গ্রামীণ সংরক্ষণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা গেলে ফসলের অপচয় কমানো সম্ভব।’

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ফল ও শাকসবজি নষ্টের হার ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ। আর বাংলাদেশে এ হার ২০ থেকে ৪৪ শতাংশ। উৎপাদনের পর ফসলের অপচয় রোধ এখন বড় চ্যালেঞ্জ।’

ফসল সংরক্ষণে গ্রামীণ উদ্ভাবনী পদ্ধতির আধুনিকায়ন ও ব্যবহারের মাধ্যমে সবজি ও মসলার অপচয় ১৮ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব, জানিয়েছেন গবেষকেরা।