চার দিন আগে পাঁচজন মাঝি-মাল্লা নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন এক জেলে। সেখানে যে মাছ ধরা পড়েছে, তা ৬৬ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। তবে সেই উপার্জনের সিংহভাগই চলে গেছে মহাজনের দাদনের কিস্তি পরিশোধে। ফলে পকেটে থাকা অবশিষ্ট টাকা দিয়ে চাল-ডাল কিনতে গিয়ে তাকে আবারও দেনার মুখে পড়তে হয়েছে।
’ ভোলার চরফ্যাশনের সামরাজ মৎস্যঘাটে নোঙর করা নৌকায় বসে রোদে শুকানো ছেঁড়া জাল সেলাই করতে করতে কথাগুলো বলছিলেন ৩২ বছর বয়সী জেলে আবদুল। চোখেমুখে রাতজাগা ক্লান্তি, সঙ্গে দেনার দুশ্চিন্তা। মেঘনা ও তেঁতুলিয়ার উত্তাল নদীতে জীবন বাজি রেখে যারা রূপালি ইলিশ তুলে আনেন, উপকূলের সেই হাজার হাজার জেলের জীবন কীভাবে মহাজনের দাদনের কাছে বাঁধা পড়ে আছে, আবদুল যেন তারই বাস্তব প্রতিচ্ছবি।



















