কক্সবাজারে পৃথক দুইটি অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবা, পাঁচটি সিঙ্গেল সিলিন্ডার ডিজেল ইঞ্জিন ও ইঞ্জিনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। এর মধ্যে একটি অভিযানে ইয়াবাগুলো নাফ নদীতে জালের ফ্লোটিং বয়ের সঙ্গে অভিনব কায়দায় বেঁধে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
অন্য অভিযানে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা ইঞ্জিন ও সরঞ্জামসহ একটি ফিশিং বোট জব্দ করা হয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সোমবার সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন নাজিরপাড়া এলাকায় নাফ নদীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ।
অভিযানের একপর্যায়ে নদীতে জালের ফ্লোটিং বয়ের সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় একটি সাদা প্যাকেট দেখতে পায় কোস্ট গার্ড সদস্যরা। পরে প্যাকেটটি উদ্ধার করে তল্লাশি চালালে এতে ২০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। জব্দ করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড। অন্যদিকে, একইদিন ভোর ৪টার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী থানাধীন ছেড়াদ্বিয়া দ্বীপসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড স্টেশন কক্সবাজার ও কোস্ট গার্ড স্টেশন মহেশখালী।
এ সময় সন্দেহজনক একটি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি সিঙ্গেল সিলিন্ডার ডিজেল ইঞ্জিন ও ইঞ্জিনের অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। কোস্ট গার্ডের দাবি, এসব সরঞ্জাম অবৈধভাবে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ৭ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জব্দ করা ইয়াবা, ইঞ্জিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম এবং পাচারকাজে ব্যবহৃত বোটের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।


















