স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, একটি সরকারের জন্য ছয় মাস কোনো দীর্ঘ সময় নয়। এই স্বল্পতম ছয় মাসের মধ্যে জনাব তারেক রহমান নির্বাচনী যেসব ওয়াদা করেছিলেন, সেই ওয়াদাগুলো একটি একটি করে পূরণ করেছেন।
আপনারা দেখেছেন, পলাশে দীর্ঘ ১৭ বছর জনগণের কল্যাণে যা করা হয়নি, আমরা আজকে মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে তার চেয়ে অনেক বেশি কাজ করতে পেরেছি। এ দেশের দুঃস্থ-দরিদ্র মানুষ থেকে শুরু করে রাস্তাঘাট, মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন করেছি। কেন করেছি? এটা জনাব তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় নীতি। তার ফলশ্রুতিতে আমরা এই কাজগুলো করতে সক্ষম হয়েছি। বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মঈন খান বলেন, আজকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে যে কাজগুলো করে যাচ্ছেন, সেগুলো কিন্তু তিনি ইসলামের সেই আদর্শকে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করছেন। কেন জানেন, এই যে কৃষক কার্ড বলছি, ফ্যামিলি কার্ড বলছি, যার মাধ্যমে এ দেশের দরিদ্র মানুষকে কিছু সহায়তা দেওয়ার জন্য—এই যে নতুন কিছু ধ্যান-ধারণার সৃষ্টি ও প্রচলন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করেছেন বাংলাদেশে, সেটা কিন্তু রাসুলে করিমের শিক্ষা থেকে এসেছে।
কাজেই আমরা আজকে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সঠিক পথে হাঁটছি।
পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিলটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ড. আব্দুল মঈন খানের সহধর্মিণী ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকার, নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, বিএনপি নেতা ফেরদৌস আহমেদ খোকন, নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা, নরসিংদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি বাবুল সরকার প্রমুখ।
এর আগে দুপুরে চরনগরদীতে নিজ বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে পিতা, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী মরহুম আবদুল মোমেন খান এবং মাতা খোরশেদা বানুর কবর জিয়ারত করেন ড. আব্দুল মঈন খান।



















