জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. নূর আলম (৪০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
মামলার পর ওই রাতেই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। পরে, রোববার (১৬ আগস্ট) তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার একমাত্র আসামি নূর আলম। তিনি সানন্দবাড়ী পাটা ধোয়াপাড়া এলাকার মো. হেকমত মন্ডলের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী একজন গৃহিণী। তার স্বামী মো. বায়জিদ গত আড়াই বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। অভিযুক্ত নূর আলম ও ভুক্তভোগী প্রতিবেশী হওয়ায় তাদের মধ্যে পরিচয় ছিল।
পরিচয়ের সুবাদে নূর আলম ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এজাহারে বলা হয়, গত জুলাই মাসের ৩০ তারিখে ভুক্তভোগী ওই নারীকে পান খাওয়ানোর কথা বলে অভিযুক্ত তার শয়নকক্ষে ডেকে নেন। এ সময় তার স্ত্রী, সন্তানরা বাড়িতে ছিলেন না। ফাঁকা বাড়ি থাকার সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন নুর আলম বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
এ সময় ভুক্তভোগীর চিৎকারে সাক্ষীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘরের দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ভুক্তভোগী স্থানীয় লোকজন ও সাক্ষীদের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানান। বিষয়টি তার প্রবাসী স্বামীকেও মোবাইল ফোনে জানানো হয়। এরপর স্বামী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে শনিবার রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় গিয়ে মামলা করেন তিনি।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল শনিবার রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে সে রাতেই অভিযুক্ত নূর আলমকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিকে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে।






















