সাতক্ষীরায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর এক বর্বর ও অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছাত্রদলের অন্তত ১০ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা সংকটজনক। আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর পর হাসপাতালে আহতদের দেখতে ছুটে যান বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা।
রাতে এই হামলার প্রতিবাদে এবং দায়ী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রদল। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যমতে ৮ আগস্ট রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরার ঘোনা ইউনিয়নের শ্রীডাঙ্গা এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। নেতাকর্মীরা শ্রীডাঙ্গা এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালায়।
সন্ত্রাসীরা অন্তত ১৫ জনের একদল নেতাকর্মীর ওপর একযোগে চড়াও হয়। হামলায় আহতদের মধ্যে রয়েছেন মনজুরুল আলম বাপ্পি: সিনিয়র সহসভাপতি, সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদল ও আহ্বায়ক, সদর উপজেলা ছাত্রদল। জাহিদ হাসান, সভাপতি, ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদল। এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্র জানায়, ঘোনা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসানসহ ৩ জনের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। এদিকে, হামলার ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ছাত্রদল। সমাবেশ থেকে তারা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলাকারী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী ক্যাডারদের অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোরালো দাবি জানান।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে কারা এই হামলার সাথে জড়িত, সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















