আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮০%

মিল্টনকে ঢাকা উত্তর বিএনপির দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

  • MIT ERP
  • Update Time : 12:55:14 pm, Sunday, 9 August 2026
  • 46

মিল্টনকে ঢাকা উত্তর বিএনপির দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্তমান প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)-কে ঘিরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দেওয়া এই নেতাকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে রাজপথের পরীক্ষিত এই কাণ্ডারিকে দায়িত্বে আনার দাবিতে উত্তরের সর্বস্তরের কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে প্রবল ইতিবাচক প্রত্যাশা। শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের রাজনীতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে মাঠপর্যায়ের ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। মিষ্টভাষী, দূরদর্শী ও সুসংগঠক হিসেবে ছাত্রজীবন থেকেই তিনি কর্মীদের আস্থা অর্জন করেন।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলীয় আদর্শে অবিচল থেকে রাজপথের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহযোদ্ধাদের নিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। নবীন ও প্রবীণের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করার বিশেষ সাংগঠনিক ক্ষমতা রয়েছে তার। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন তার সততা, স্বচ্ছতা ও কাজের প্রতি একনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছেন।

নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক কাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার কারণে তিনি সর্বমহলে একটি গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পাশাপাশি তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সংগঠনকে আরও সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কেন কর্মীদের পছন্দের শীর্ষে মিল্টন? তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নেতৃত্বের বিশেষ কিছু গুণই তাকে দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাব্য দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।

কর্মীবান্ধব সাধারণ জীবনযাপন: সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়ানো এবং কর্মীদের সহজেই তার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ থাকা। সংকট সমাধানের ক্ষমতা: যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে পথ চলার দূরদর্শিতা। পরিচ্ছন্ন ও সৎ ভাবমূর্তি: দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেও নিজের অবস্থানকে বিতর্কমুক্ত রাখতে পারা।

যদিও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড, তবুও শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মতো একজন দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ও সর্বজনগ্রাহ্য নেতাকে যদি এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে উত্তর বিএনপি আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও চাঙ্গা হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ তৃণমূলের। এখন দেখার বিষয়, কর্মীদের এই বিপুল সমর্থন ও প্রত্যাশাকে বিবেচনায় নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে কাকে মহানগরের কাণ্ডারি করে আনেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

হামের উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি বেড়ে ১০৪৪

মিল্টনকে ঢাকা উত্তর বিএনপির দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

Update Time : 12:55:14 pm, Sunday, 9 August 2026

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্তমান প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান (মিল্টন)-কে ঘিরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা-কল্পনা। স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার পরিচয় দেওয়া এই নেতাকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে দেখতে চান তৃণমূলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে রাজপথের পরীক্ষিত এই কাণ্ডারিকে দায়িত্বে আনার দাবিতে উত্তরের সর্বস্তরের কর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে প্রবল ইতিবাচক প্রত্যাশা। শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের রাজনীতির মূল ভিত্তি গড়ে উঠেছে মাঠপর্যায়ের ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে। মিষ্টভাষী, দূরদর্শী ও সুসংগঠক হিসেবে ছাত্রজীবন থেকেই তিনি কর্মীদের আস্থা অর্জন করেন।

প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দলীয় আদর্শে অবিচল থেকে রাজপথের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সহযোদ্ধাদের নিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। নবীন ও প্রবীণের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করার বিশেষ সাংগঠনিক ক্ষমতা রয়েছে তার। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন তার সততা, স্বচ্ছতা ও কাজের প্রতি একনিষ্ঠতার পরিচয় দিয়েছেন।

নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসনিক কাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার কারণে তিনি সর্বমহলে একটি গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পাশাপাশি তার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা সংগঠনকে আরও সুশৃঙ্খল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কেন কর্মীদের পছন্দের শীর্ষে মিল্টন? তৃণমূল নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নেতৃত্বের বিশেষ কিছু গুণই তাকে দায়িত্ব পাওয়ার সম্ভাব্য দৌড়ে এগিয়ে রেখেছে।

কর্মীবান্ধব সাধারণ জীবনযাপন: সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে সবসময় পাশে দাঁড়ানো এবং কর্মীদের সহজেই তার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ থাকা। সংকট সমাধানের ক্ষমতা: যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং বিভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে পথ চলার দূরদর্শিতা। পরিচ্ছন্ন ও সৎ ভাবমূর্তি: দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয় থেকেও নিজের অবস্থানকে বিতর্কমুক্ত রাখতে পারা।

যদিও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতৃত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড, তবুও শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের মতো একজন দক্ষ, পরিচ্ছন্ন ও সর্বজনগ্রাহ্য নেতাকে যদি এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে উত্তর বিএনপি আরও সুসংগঠিত, শক্তিশালী ও চাঙ্গা হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ তৃণমূলের। এখন দেখার বিষয়, কর্মীদের এই বিপুল সমর্থন ও প্রত্যাশাকে বিবেচনায় নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে কাকে মহানগরের কাণ্ডারি করে আনেন।