10:54 pm, Sunday, 2 August 2026

মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:37:01 pm, Sunday, 2 August 2026
  • 5
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে সচিবালয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা পূরণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ বিশেষ আগ্রহী। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এ প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি এলএনজি সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান। জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রীও এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেন। সাক্ষাৎকালে মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের আগের প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনায় আনার বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে। প্রয়োজনে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরে যেতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপিত হলে তা করিডোর বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা করেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বহু সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে, যা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে অনুসন্ধান ও বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের

Update Time : 09:37:01 pm, Sunday, 2 August 2026

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। রোববার (২ আগস্ট) বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও সোয়ে মোয়ে সচিবালয়ে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ সময় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বৈঠকে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ চাহিদা পূরণে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশ বিশেষ আগ্রহী। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এ প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। পাশাপাশি তিনি এলএনজি সরবরাহের সম্ভাব্যতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনার কথা জানান। জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রীও এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেন। সাক্ষাৎকালে মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের আগের প্রস্তাবটি নতুন করে আলোচনায় আনার বিষয়ে উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। জ্বালানি খাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হবে। প্রয়োজনে তিনি নিজেও মিয়ানমার সফরে যেতে আগ্রহী বলে উল্লেখ করেন। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডোরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপিত হলে তা করিডোর বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে তিনি মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা করেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বহু সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে, যা যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে অনুসন্ধান ও বাস্তবায়ন করা যেতে পারে। মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যেতে পারে। উল্লেখ্য, বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।