8:47 pm, Sunday, 2 August 2026

প্রযুক্তি দক্ষতায় স্বাবলম্বী হবে তরুণরা: মীর শাহে আলম

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:26:20 pm, Sunday, 2 August 2026
  • 8
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বগুড়ার উন্নয়নকে আর কোনোভাবেই পিছিয়ে রাখতে চান না জেলার সাত সংসদ সদস্য। উন্নয়ন পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ সব ক্ষেত্রে বগুড়াকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রোববার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া শহরের মম ইন অডিটোরিয়ামে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার উন্নয়নের ব্যাপারে আমরা সাত সংসদ সদস্য এক বিন্দুও ছাড় দিতে রাজি নই। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে জেলার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশে প্রত্যাশিত মানের হাইটেক পার্ক গড়ে ওঠেনি। অথচ প্রতিবেশী দেশগুলো আধুনিক প্রযুক্তি খাতকে কাজে লাগিয়ে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বর্তমান সরকারের আগামী দেড় বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এআই ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ১১ হাজার ২০০ জন যুবক-যুবতীকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মীর শাহে আলম আরও বলেন, প্রয়োজন হলে কালিয়াকৈরের রেডি হাইটেক পার্ক তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বগুড়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেল সংযোগ, সিটি করপোরেশন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন জোন অফিস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ কোনো নতুন সুবিধা নয়; বরং দীর্ঘদিনের অবহেলার ঘাটতি পূরণের একটি প্রচেষ্টা। উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডিতে বগুড়া-মাদারগঞ্জ রুট সবচেয়ে যৌক্তিক হিসেবে উঠে এসেছে। বগুড়াবাসীর প্রত্যাশাও এই রুটেই সেতু নির্মাণ করা। শিক্ষা ও ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। মীর শাহে আলম জানান, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ বহুমাত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শহরতলির সুবিধাজনক স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হবে। একই সঙ্গে তিনমাথা এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ ও পরিদর্শনের কাজও এগিয়ে চলছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানান। এর মাধ্যমে আরও বেশি তরুণ-তরুণী প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

শেরপুরে ৫ গ্রামের কাঁচা সড়ক পাকাকরণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রযুক্তি দক্ষতায় স্বাবলম্বী হবে তরুণরা: মীর শাহে আলম

Update Time : 07:26:20 pm, Sunday, 2 August 2026

বগুড়ার উন্নয়নকে আর কোনোভাবেই পিছিয়ে রাখতে চান না জেলার সাত সংসদ সদস্য। উন্নয়ন পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ সব ক্ষেত্রে বগুড়াকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। রোববার (২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় বগুড়া শহরের মম ইন অডিটোরিয়ামে তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবকদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নবিষয়ক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, বগুড়ার উন্নয়নের ব্যাপারে আমরা সাত সংসদ সদস্য এক বিন্দুও ছাড় দিতে রাজি নই। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে জেলার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশে প্রত্যাশিত মানের হাইটেক পার্ক গড়ে ওঠেনি। অথচ প্রতিবেশী দেশগুলো আধুনিক প্রযুক্তি খাতকে কাজে লাগিয়ে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে। বর্তমান সরকারের আগামী দেড় বছরে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এআই ও তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, এ কর্মসূচির আওতায় দেশের ৬৪ জেলায় ১১ হাজার ২০০ জন যুবক-যুবতীকে তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মীর শাহে আলম আরও বলেন, প্রয়োজন হলে কালিয়াকৈরের রেডি হাইটেক পার্ক তরুণদের জন্য উন্মুক্ত করে উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তি দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। বগুড়ার উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেল সংযোগ, সিটি করপোরেশন, উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং বিভিন্ন জোন অফিস প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ কোনো নতুন সুবিধা নয়; বরং দীর্ঘদিনের অবহেলার ঘাটতি পূরণের একটি প্রচেষ্টা। উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ফিজিবিলিটি স্টাডিতে বগুড়া-মাদারগঞ্জ রুট সবচেয়ে যৌক্তিক হিসেবে উঠে এসেছে। বগুড়াবাসীর প্রত্যাশাও এই রুটেই সেতু নির্মাণ করা। শিক্ষা ও ক্রীড়া অবকাঠামো নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। মীর শাহে আলম জানান, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ বহুমাত্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শহরতলির সুবিধাজনক স্থানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হবে। একই সঙ্গে তিনমাথা এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের জন্য স্থান নির্ধারণ ও পরিদর্শনের কাজও এগিয়ে চলছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বগুড়ার ১২টি উপজেলায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানান। এর মাধ্যমে আরও বেশি তরুণ-তরুণী প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জন করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান, স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।