ঢাকা শহরে হাঁটতে গেলে পায়ের তলায় মাটি খুঁজে পাওয়া কষ্ট। দিনকে দিন খোলা জায়গা কমছে, জলাভূমি হারিয়ে যাচ্ছে, গাছের স্থান দখল করছে কংক্রিট। শহর যত উঁচু হচ্ছে, যত বহুতল ভবন নির্মাণ হচ্ছে, ততই এর নিচে চাপা পড়ছে প্রকৃতি। অথচ এই কংক্রিটের শহরের মাথার ওপরই তৈরি করা সম্ভব আরেকটি শহর, সবুজের শহর। এটি যে হচ্ছে না, তা নয়। তবে কচ্ছপ গতিতে। শৌখিন গতিতে, বাণিজ্যিক হিসেবে নয়। ভবনের ছাদে ছাদে টব, বেড, লতাগুল্ম, ফলের গাছ, সবজি, ফুল করে বাণিজ্যিক চাহিদাও মেটানো সম্ভব। আশার দিকটা হচ্ছে, কিছু কিছু ভবনে দেখা যায়— কোথাও বৃষ্টির পানি ধরে রাখা হচ্ছে, কোথাও রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট থেকে তৈরি হচ্ছে কম্পোস্ট। ফুল ফুটতেই আসছে মৌমাছি, প্রজাপতি। ফলের গাছে দেখা মিলছে পাখির। কোনো কোনো ছাদে উৎপাদিত সবজি যাচ্ছে পরিবারের রান্নাঘরে। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করে এগোলেই অতিরিক্ত পণ্য বিক্রি করে অর্থ আয়ও সম্ভব স্থানীয় বাজার থেকে। নগর পরিকল্পনাবিদদের সঙ্গে কথা বললে তারাই এভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা মনে করেন, একটু সচেতন হলেই ছাদে ছাদে গড়ে উঠতে পারে ক্ষুদ্র ইকোসিস্টেম— কমতে পারে অসহনীয় তাপ, উৎপাদন হতে পারে খাবারের উপাদান এবং সর্বশেষে একটি নতুন বাজার।
12:45 am, Sunday, 2 August 2026
শিরোনাম :






















