ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাংবাদিকসহ অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার কদমতলী এলাকায় এই সংঘর্ষ ঘটে।
সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের তাৎক্ষণিক নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিকেলে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুল হক স্বপনের নেতৃত্বে স্থানীয় আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করা হয়।
এতে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিলটি কদমতলী মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা চলছিল। এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির অপর একটি পক্ষ কদমতলী এলাকায় এলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষ বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে সাংবাদিকসহ উভয়পক্ষের অন্তত অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মো. রাশেদ গণমাধ্যমকে জানান, বিএনপির দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়েছিল। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম জানান, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের কর্মসূচি ছিল।
উভয় পক্ষ শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালনের কথা বললেও পরে সংঘর্ষে জড়ায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেষ্টায় সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
























