কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকবিরোধী অভিযানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬৩৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রকাশিত ২৪ ঘণ্টার অপরাধ পরিসংখ্যানে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগের দিন মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ১২০ জন, আগের মামলায় ৮১ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ৪৮ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ছয়জন রয়েছেন।
এ ছাড়া ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৪৮ জন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে ১৫০ জন এবং সাজা পরোয়ানামূলে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০টি মামলা করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৪০ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৭ হাজার ৬৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এসব অভিযানে ২৩ হাজার ৯৯৫টি ইয়াবা বড়ি ও ৫৩ কেজি ৯৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য সন্দেহে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কুমিল্লায় ২০ জন, ফেনীতে চারজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিনজন, চাঁদপুরে দুজন এবং চট্টগ্রামে একজন রয়েছেন। কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৬৩৩ জনের মধ্যে ৪০৮ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ২২৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলাভিত্তিক হিসাবে কুমিল্লায় সর্বোচ্চ ২৮২ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ৯২, লক্ষ্মীপুরে ৫৭, নোয়াখালীতে ৫৫, চাঁদপুরে ৪৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৩, কক্সবাজারে ২৬, ফেনীতে ১৯, রাঙামাটিতে ১৪, খাগড়াছড়িতে সাত এবং বান্দরবানে চারজনকে আটক করা হয়েছে।

























