আজ বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
২১ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩০°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

চলতি শীতে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ ও দুটি ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:38:32 pm, Wednesday, 4 November 2026
  • 30

চলতি শীতে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ ও দুটি ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি দুটি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ সময়ে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। ফলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। তাপমাত্রার ভিত্তিতে শৈত্যপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলে তাকে মৃদু, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

সব মিলিয়ে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন, যোগাযোগ ও চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

নতুন এমপিও পেলেন ৩৭৬ শিক্ষক-কর্মচারী, উচ্চতর গ্রেড পেল ৫৪৭৪

চলতি শীতে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ ও দুটি ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

Update Time : 07:38:32 pm, Wednesday, 4 November 2026

চলতি বছরের ডিসেম্বর ও আগামী বছরের জানুয়ারিতে দেশে চার থেকে ছয়টি মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি দুটি ঘূর্ণিঝড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রকাশিত দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে চারটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে এক থেকে দুটি লঘুচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ সময়ে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। তবে শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

অন্যান্য এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে আসতে পারে। ফলে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকলেও শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে। তাপমাত্রার ভিত্তিতে শৈত্যপ্রবাহকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এলে তাকে মৃদু, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মাঝারি এবং ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

সব মিলিয়ে ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের প্রকোপ বাড়তে পারে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জনজীবন, যোগাযোগ ও চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।