মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার উত্তর ভাড়াউড়া এলাকার মানিক মিয়ার রান্নাঘরে তার স্ত্রী রান্না করছিলেন। হঠাৎ রান্নাঘরে লাকড়ির উপর একটি সাপ দেখতে পেয়ে তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে ঘরের মানুষজনসহ আশপাশের এলাকাবাসী ছুটে এসে সাপটি দেখতে পান।
সাপটি দেখে সবাই ভয় পেয়ে যান এবং কেউ কেউ সাপটিকে মেরে ফেলতে চান। ০১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুর ২ ঘটিকায় এসময় এলাকাবাসীর মধ্যে বাবু নামের একজন ব্যক্তি সাপটিকে না মারার জন্য সবাইকে নিষেধ করেন এবং বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানান। এদিকে চিৎকার-চেঁচামেচির কারণে সাপটি লাকড়ির নিচে চলে যায়। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশ কর্মী রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তীতে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে লাকড়িগুলো একে একে নামিয়ে দেখা যায়, লাকড়ির নিচে একটি দাঁড়াশ সাপ লুকিয়ে আছে। পরে সাপটিকে কোনো ধরনের আঘাত না করে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত দাঁড়াশ সাপটি পরবর্তীতে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। কোথাও কোনো পশুপাখি ধরা পড়লে, আহত বা অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে সাথে সাথে নিকটস্থ বনবিভাগে খবর দেয়ার জন্য বলেন।






















