ঢাকা মহানগরের শ্যামপুর-গেন্ডারিয়া এলাকার রাজনৈতিক নেতা আ. ন. ম. সাইফুল ইসলাম দাবি করেছেন, পাড় গেন্ডারিয়া ইউনিটের রিপন মিয়াকে কয়েক মাস আগেই তার রাজনৈতিক বলয় থেকে বের করা হয়েছিল। একই সঙ্গে ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের অধীন তার অনুসারী নেতাকর্মীদের রিপন মিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি জানিয়েছেন।
গত শনিবার শ্যামপুরের মীর হাজিরবাগ পারগেন্ডারিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ হিরোইন নিয়ে গ্রেপ্তার হোন ৫১ নং ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা রিপন মিয়া। সোমবার (৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সাইফুল ইসলাম বলেন, দলের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে যাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তাদের রাজনৈতিক বলয় থেকে সরিয়ে দেওয়াই তিনি সঠিক মনে করেন।
তার ভাষায়, শরীরের কোনো অঙ্গ নষ্ট হলে দ্রুত সেটি কেটে ফেলাই উত্তম, নয়তো পুরো শরীরে পচন ধরে। তিনি আরও দাবি করেন, রিপন মিয়াকে তার বলয় থেকে বাদ দেওয়ার পরদিনই অন্য কয়েকজন তাকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করেন এবং পরবর্তীতে শ্যামপুর থানা বিএনপির একটি সাংগঠনিক সভায় প্রকাশ্যে উপস্থিত করা হয়। ওই সভায় রিপন মিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে আ. ন. ম. সাইফুল ইসলাম রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এলাকার কিছু ব্যক্তি মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং এসব কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার কাছে সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক সভার একটি ভিডিও রয়েছে, যা রিপন মিয়ার ফেসবুক আইডি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে দাবি করেন।
ভবিষ্যতে এ বিষয়ে আরও তথ্য ও প্রমাণ প্রকাশ করবেন বলেও তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন।



















