বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রিতা নিরসনে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিএসইসির চেয়ারম্যান কিংবা কমিশনারদের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালককে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ২০ (এ) ধারা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই বিএসইসির চেয়ারম্যান মাসুদ খান সাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, কোনো আত্ম-নিয়ামক সংস্থা, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটির ইস্যুআর বা যেকোনো সিকিউরিটির ইস্যুআর, নিবন্ধিত বাজার মধ্যস্থতাকারী এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক কমিশনে দাখিলযোগ্য সাধারণ আবেদন, রিপোর্ট, বিবরণী বা চিঠিপত্র সরাসরি সংশ্লিষ্ট ডিভিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান তথা “নির্বাহী পরিচালক” বরাবর দাখিল করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই আদেশের লক্ষ্য হলো দাপ্তরিক নথিপত্র ব্যবস্থাপনায় বিদ্যমান দীর্ঘসূত্রতা দূর করে সামগ্রিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা আনয়ন করা। কমিশনের বিদ্যমান ব্যবস্থায় পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আবেদন বা নথিপত্র প্রথমে চেয়ারম্যান বা কমিশনারগণের দপ্তরে গৃহীত হতো এবং পরবর্তীতে তা সংশ্লিষ্ট ডিভিশনে পাঠানো হতো। এই কেন্দ্রীভূত পদ্ধতির ফলে ফাইল হস্তান্তরে সময়ক্ষেপণ তৈরি হতো, তা নিরসনে এই বিকেন্দ্রীভূত পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণ নথিপত্র সংশ্লিষ্ট ডিভিশনে পাঠানোর নিয়ম থাকলেও ৫টি সংবেদনশীল বিষয় সরাসরি কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবর দাখিল করতে হবে। এগুলো হলো- যে কোনো ধরণের অভিযোগ; তথ্য প্রকাশকারী (হুইসেলব্লোয়ার) কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য, ঘোষণা বা অভিযোগ; কমিশনের নির্দেশে পরিচালিত অনুসন্ধান বা তদন্ত প্রতিবেদন বা অন্য কোনো বিশেষ প্রতিবেদন; বিশেষ নিরীক্ষা প্রতিবেদন এবং কমিশন কর্তৃক বিশেষভাবে নির্ধারিত অন্য কোনো বিষয়। আদেশে আরও বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দাখিলযোগ্য আবেদন, প্রতিবেদন বা অভিযোগসমূহ ডিজিটাল মাধ্যমেই দাখিল করতে হবে এবং এটি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র দাখিলের ক্ষেত্রে পূর্বের সকল ম্যানুয়াল প্রোটোকল বা নিয়মাবলীকে স্থলাভিষিক্ত করবে।
10:33 pm, Thursday, 30 July 2026
শিরোনাম :

















