‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আগামী শনিবার (৭ নভেম্বর) সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি পালিত হবে। কিছুদিন আগে এই দিনটি সরকারি ছুটির তালিকায় যুক্ত হয়েছে। এ উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ছুটি থাকবে।
তবে সরকারি ছুটি হলেও সবাই অবকাশের সুযোগ পাবেন না। জরুরি ও জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্ধারিত ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী যথারীতি দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনকি শিক্ষকরাও এই ছুটি উপভোগ করতে পারবেন না। [177386] কারণ আগামী ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে রচনা, আবৃত্তি এবং চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করতে বলা হয়েছে।
ফলে ছুটি থাকলেও এদিন কর্মসূচি থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৬ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্মসূচি প্রতিপালনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
চিঠিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। [177316] এ ছাড়া অন্য এক চিঠিতে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে বলা হয়েছে। এর আগে, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
তবে এ বছর ৭ নভেম্বর শনিবার থাকায় তা ভোগ করতে পারছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই দিন কর্মসূচি থাকায় প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদেরও।






















