নতুন সেতুর বিকল্প সড়কটিও চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ায় দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে লক্ষাধিক মানুষকে। পুরাতন সেতু ভেঙে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে নতুন এক সেতু।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের দশেরঘোনা এলাকার সংযোগস্থলে নির্মিত হচ্ছে এ সেতু। পুরাতন সেতু ভেঙে নতুন সেতু নির্মাণের কাজ চলছে। এ কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রাখতে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হলেও সেটি যথাযথভাবে প্রস্তুত ও চলাচলের উপযোগী না করেই সেতুর নির্মাণকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেন স্থানীয়রা।
এদিকে ঘুরে দেখা যায়, বিকল্প সড়কের বিভিন্ন অংশ কাদামাটি ও পানিতে একাকার হয়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে পারাপার করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। জরুরি প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে মানুষকে অতিরিক্ত পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এতে প্রতিদিন নানা প্রয়োজনে চলাচলরত মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
বিশেষ করে রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত এবং শ্রমজীবী মানুষের দৈনন্দিন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতি চলতে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বাড়ছে। এলাকাবাসী জানান, সেতুটি নির্মিত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমবে। কিন্তু নির্মাণকাজ চলাকালে বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা সচল না থাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল পাওয়ার আগেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত বিকল্প সড়কটি সংস্কার করে যানবাহন ও পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল হাসান জানান, বিষয়টি আমি দেখছি এবং ঠিকাদার কে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিকল্প সড়ক তৈরি করে দেওয়ার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনার পর আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি এবং ভালো ভাবে বিকল্প সড়ক তৈরি করে দেওয়ার জন্য নিদের্শ দিয়েছি।






















