আজ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
৯ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩২°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬%

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার পরও বাঁচানো গেল না রাবি শিক্ষার্থী চেসিকে

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:40:05 am, Saturday, 24 October 2026
  • 12

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার পরও বাঁচানো গেল না রাবি শিক্ষার্থী চেসিকে

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। চেসি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুর্গাপুর এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন।

পরে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের বাইরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর চেসির সহপাঠী রিসার্চ চাকমা তাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর জানান। চিকিৎসকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে চেসিকে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে বলে তাকে জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাজশাহীর বাগমারায় এক সহপাঠীর বাসায় পূজার দাওয়াতে গিয়েছিলেন চেসি।

সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। দুর্ঘটনার পর প্রথমে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার পরও বাঁচানো গেল না রাবি শিক্ষার্থী চেসিকে

Update Time : 10:40:05 am, Saturday, 24 October 2026

সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী চেসি ত্রিপুরাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। চেসি ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। দুর্গাপুর এলাকায় ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হওয়ার পর থেকে তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে অবস্থান করছিলেন।

পরে কিছু সময়ের জন্য হাসপাতালের বাইরে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর চেসির সহপাঠী রিসার্চ চাকমা তাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর জানান। চিকিৎসকেরা আনুষ্ঠানিকভাবে চেসিকে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে বলে তাকে জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার রাজশাহীর বাগমারায় এক সহপাঠীর বাসায় পূজার দাওয়াতে গিয়েছিলেন চেসি।

সন্ধ্যায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে দুর্গাপুর এলাকায় একটি দ্রুতগতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। দুর্ঘটনার পর প্রথমে তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।

পরে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।