আজ মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ০৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৪°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

কম্বোডিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন আরও ২৫ বাংলাদেশি

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:37:31 pm, Tuesday, 20 October 2026
  • 7

কম্বোডিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন আরও ২৫ বাংলাদেশি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দ্বিতীয় দফায় দেশে ফিরলেন কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ২৫ বাংলাদেশি। মঙ্গলবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে ৫ জনের একটি দল দেশে ফেরে।

ভুক্তভোগী ও স্বজনরা জানান, ভালো বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে দেশ ও অন্য দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের আটকে রেখে জোর করে সাইবার স্ক্যামিংয়ের কাজ করানো হতো। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কারও কারও কাছ থেকে নেয়া হয়েছে মুক্তিপণও। পরে তারা সেখান থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার উদ্দেশে ৩ সেপ্টেম্বর নমপেন বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন।

ফিরে আসা এক তরুণ বলেন, ‘আমি কম্বোডিয়া যাওয়ার পরে আমার দালালে ২০ দিন রুমে আটকাইয়া রাখছে। তারপের কাজ দিছে। আমি তিন মাস কাজ করছি। কিন্তু ফ্যাক্টরিতে কাজ নাই, মালিকে বের করে দিছে।’

আরেক তরুণ বলেন, ‘আমাদেরকে ইমিগ্রেশন জেলে রাখছিল। বাংলাদেশ থেকে কার উদ্যোগে ছাড়া পাইছি এটা আমার পরিষ্কার জানা নাই।’

ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের কো–অর্ডিনেটর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ওরা যে হিস্ট্রি (ঘটনার বর্ণনা) দিচ্ছে, তাতে এখনো ওখানে অনেক লোক আটকে আছে। সংখ্যা আসলে সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা কঠিন। আর ওখানে তো স্ক্যাম সেন্টারে অমানবিক অবস্থায় এদেরকে রাখে, কাজ করায়। নির্যাতন করে। টাকা–পয়সা দেয় না। খুব খারাপ একটা অবস্থা।’

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ফ্রান্সে বিক্ষোভ সামলাতে হিমশিম অবস্থা, কয়েকটি শহরে কারফিউ জারি

কম্বোডিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন আরও ২৫ বাংলাদেশি

Update Time : 09:37:31 pm, Tuesday, 20 October 2026

দ্বিতীয় দফায় দেশে ফিরলেন কম্বোডিয়ার ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ২৫ বাংলাদেশি। মঙ্গলবার দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।

এর আগে, গতকাল সোমবার রাতে ৫ জনের একটি দল দেশে ফেরে।

ভুক্তভোগী ও স্বজনরা জানান, ভালো বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালের মাধ্যমে দেশ ও অন্য দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের আটকে রেখে জোর করে সাইবার স্ক্যামিংয়ের কাজ করানো হতো। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।

কারও কারও কাছ থেকে নেয়া হয়েছে মুক্তিপণও। পরে তারা সেখান থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার উদ্দেশে ৩ সেপ্টেম্বর নমপেন বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ ৩২ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন।

ফিরে আসা এক তরুণ বলেন, ‘আমি কম্বোডিয়া যাওয়ার পরে আমার দালালে ২০ দিন রুমে আটকাইয়া রাখছে। তারপের কাজ দিছে। আমি তিন মাস কাজ করছি। কিন্তু ফ্যাক্টরিতে কাজ নাই, মালিকে বের করে দিছে।’

আরেক তরুণ বলেন, ‘আমাদেরকে ইমিগ্রেশন জেলে রাখছিল। বাংলাদেশ থেকে কার উদ্যোগে ছাড়া পাইছি এটা আমার পরিষ্কার জানা নাই।’

ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারের কো–অর্ডিনেটর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ওরা যে হিস্ট্রি (ঘটনার বর্ণনা) দিচ্ছে, তাতে এখনো ওখানে অনেক লোক আটকে আছে। সংখ্যা আসলে সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা কঠিন। আর ওখানে তো স্ক্যাম সেন্টারে অমানবিক অবস্থায় এদেরকে রাখে, কাজ করায়। নির্যাতন করে। টাকা–পয়সা দেয় না। খুব খারাপ একটা অবস্থা।’