আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের সময়সূচি প্রকাশের পর থেকে রাজনীতিতে এখন প্রধান আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে নির্বাচনে কার প্রভাব কতটা বজায় থাকবে।
কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত আসন ভাগাভাগির পুরোনো ও নতুন হিসাব মেলাতে গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোয় শুরু হয়েছে তীব্র স্নায়ুযুদ্ধ ও ভেতরের দরকষাকষি; বিশেষ করে দীর্ঘদিনের মিত্র, সম্প্রতি গঠিত ইসলামি দলগুলোর জোট এবং নবগঠিত দলগুলোর সঙ্গে একক প্রার্থী দেওয়ার সমীকরণ মেলাতে চরম হিমশিম খাচ্ছেন নীতিনির্ধারকেরা। একদিকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দল ও জোটের মধ্যে সমঝোতার প্রশ্ন, অন্যদিকে তৃণমূল পর্যায়ে নিজস্ব একক প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ধরে রাখার মরিয়া চেষ্টা— এই দ্বিমুখী চাপের মুখে তৃণমূলের রাজনীতি এখন উত্তপ্ত রূপ ধারণ করেছে।
এমনটাই অভিমত রাজনীতি বিশ্লেষকদের। তারা আরও বলছেন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের মাঠের পরিস্থিতি বিশ্লেষণে প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে সংঘাত ও বিদ্রোহের আশঙ্কা রয়েছে। গতকাল রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা গোয়েন্দা সংস্থার এক প্রতিবেদনেও এসব তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশের বিশেষ গোয়েন্দা শাখার তথ্য হচ্ছে, ইউপি নির্বাচনে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় সরকারের একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা, সংঘাত ও হুমকির ঘটনা ঘটতেও শুরু করেছে। রাজনীতি বিশ্লেষক এবং সাধারণ ভোটারদের তথ্য পর্যালোচনায় প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এবারের নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার ঝুঁকি অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
গোয়েন্দা সূত্রমতে, সহিংসতার মূল কারণগুলো হচ্ছে— তৃণমূলের আধিপত্য বিস্তার, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের আধিক্য, অস্ত্র ও পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের প্রবণতা। গোয়েন্দা তথ্যমতে, আসছে নির্বাচনে বেশ কিছু এলাকাকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শরীয়তপুর, মাদারীপুর, বরিশাল, ভোলা ও লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলগুলো ভৌগোলিক কারণেই সহিংসতাপ্রবণ।
নদীবেষ্টিত ও দুর্গম হওয়ায় এসব এলাকায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পৌঁছানো কঠিন, যে সুযোগই নিতে পারে অপরাধীরা। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, যশোর এবং মাগুরা অঞ্চলে পুরোনো রাজনৈতিক ও সামাজিক কোন্দলের কারণে প্রতিপক্ষের ওপর হামলার আশঙ্কা রয়েছে। এই অঞ্চলে রাজনৈতিক সমঝোতারও অভাব প্রবল। চট্টগ্রাম ও পার্বত্যাঞ্চলের সীতাকুণ্ড, বাঁশখালী এবং পার্বত্য জেলাগুলোর সীমান্তবর্তী ইউপিগুলোয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র সংঘাতের ঝুঁকি রয়েছে।
গোয়েন্দা তথ্যে আরও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভোটকেন্দ্রে যাওয়া, নিজের পছন্দমতো ভোট দেওয়া এবং নির্বিঘ্নে বাড়ি ফেরা নিয়ে সাধারণ মানুষ শঙ্কিত। অনেক এলাকায় ভোটাররা আশঙ্কা করছেন, সহিংস পরিবেশ তৈরি করে কেন্দ্র দখল বা জাল ভোটের উৎসব চলতে পারে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র থেকে সরাসরি প্রার্থিতা চাপিয়ে দেওয়া, নাকি স্থানীয়দের পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া হবে, তা নিয়ে প্রতিটি দলেই মুখোমুখি অবস্থানে প্রবীণ ও নবীন নেতারা। একদিকে সাবেক এমপি ও তৃণমূল নেতাদের প্রভাব, অন্যদিকে পরিবর্তনকামী নতুন মুখের উত্থান, সব মিলিয়ে স্থানীয় ক্ষমতাকাঠামোর একক আসনে বহুমুখী বিরোধ দেখা দিয়েছে।
দলগুলোর এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই মাঠপর্যায়ে নির্বাচনের প্রশাসনিক আয়োজন শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সূত্রের খবর, আগামী ২৫ নভেম্বর প্রকাশ হবে চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা। এর আগে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের জন্য নিষ্পত্তির আবেদন নেওয়া হচ্ছে। ইসির নির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে, আগামী ৪ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকার পিডিএফ প্রস্তুত ও মাঠপর্যায়ে পাঠাবে কমিশন।
এরপর ৫ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে হালনাগাদ খসড়া ভোটার তালিকা। সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক দলগুলো ২০ নভেম্বর পর্যন্ত যেকোনো দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের আবেদন পেশ করতে পারবে এবং ইসি ২৩ নভেম্বরের মধ্যে সব নিষ্পত্তি নিশ্চিত করবে। নির্বাচন কমিশন ইঙ্গিত দিয়েছে, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তপশিল জারি করা হবে।
জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের মাঠের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে রাজনীতি বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রার্থী নির্বাচন ঘিরে সংঘাত ও বিদ্রোহের আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনি আসনেই ক্ষমতাসীন ও বিরোধী জোটের প্রার্থী হওয়ার জন্য অর্ধডজন বা তার বেশি প্রভাবশালী নেতা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। বিগত দিনের রাজপথের ত্যাগী নেতারা চাচ্ছেন পদ ধরে রাখতে, অন্যদিকে সাম্প্রতিক রাজনীতিতে দৃশ্যপটে আসা নতুন দলগুলোর নেতারা চাচ্ছেন নিজেদের গণভিত্তি পরীক্ষা করে পদ বাগিয়ে নিতে।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠেছে জোটবদ্ধ আসন সমঝোতার কারণে। অনেক আসনেই জাতীয় পর্যায়ে সমঝোতার কারণে যদি মিত্র দলগুলোকে আসন ছাড়তে হয়, তবে নিজস্ব যোগ্য ও জনপ্রিয় নেতাদের দলীয় সমর্থন থেকে বঞ্চিত হতে হবে। এতে স্থানীয়ভাবে অসন্তোষ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্র থেকে এককভাবে কোনো প্রার্থীর নাম চাপিয়ে দেওয়া হলে তারা ‘স্বতন্ত্র’ ব্যানারে নির্বাচনে নামবেন।
বিদ্রোহ রুখতে দলগুলোর কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড একাধিক বিশেষ টিম গঠন করে জেলা পর্যায়ে সফর ও বিরোধ মেটানোর চেষ্টা চালালেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। স্থানীয় নির্বাচনের সংকট, দলগুলোর মনস্তাত্ত্বিক চাপ ও রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাইফুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সব সময়ই ব্যক্তি ভাবমূর্তি ও সামাজিক নেটওয়ার্কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।
কিন্তু এবার জাতীয় রাজনীতির আমূল পরিবর্তন, ভোটারদের মনস্তত্ত্ব বদল এবং তরুণদের সরব ভূমিকার কারণে এই নির্বাচন এক নতুন মাত্রায় প্রবেশ করেছে। দলগুলো যদি কেবল কেন্দ্রীয় জোটের সমঝোতা রক্ষা করতে গিয়ে স্থানীয় জনপ্রিয় ও অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য প্রার্থীর নাম কেটে দেয়, তবে তৃণমূলে বিদ্রোহী প্রার্থী বা শক্তিশালী স্বাধীন প্রার্থীদের জয়জয়কার দেখা যাবে।
রাজনীতিতে নতুন ধারা আনার যে দাবি সাধারণ মানুষের, কেন্দ্র তা বুঝতে ভুল করলে দলের তৃণমূল ভিত্তি ধসে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে এত দিন উন্নয়নকেন্দ্রিক রাজনীতি হিসেবে দেখা হতো। তবে আগামী নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জনমত সমীক্ষা বা নির্দেশক হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের কাছে সর্বস্তরের মূল চাওয়া হবে দৃশ্যমান নিরপেক্ষতা বজায় রাখা।
বিগত নির্বাচনগুলোর প্রতি যে আস্থাহীনতা ছিল, তা দূর করে মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভোটাররা যেন কোনো প্রকার চাপ ছাড়া পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই হবে বর্তমান কমিশনের প্রধান পরীক্ষা। প্রশাসনিক বলপ্রয়োগের সংস্কৃতি থেকে না বের হতে পারলে নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় ক্ষোভ বা যে সহিংসতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, তা কোনোভাবেই থামানো যাবে না।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, দলগুলোর জন্য প্রার্থী বাছাই আরও কঠিন হয়ে পড়েছে ভোটারদের চাহিদার ধরন বদলে যাওয়ায়। আগে কেবল দলীয় পরিচিতি বা অর্থনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ভোট পাওয়া যেত, কিন্তু এখন স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনের জবাবদিহি ও ব্যক্তির সততা ভোটারদের প্রধান বিচার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলোকেও তাই পুরোনো কৌশলে পরিবর্তন এনে সৎ ও প্রশাসনিক শক্তিসম্পন্ন মুখগুলোকে প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার পথ বের করতে হচ্ছে। এর ফলে যারা এত দিন কেবল কেন্দ্রীয় নেতাদের চাটুকারিতা করে রাজনৈতিক পদ পেয়েছিলেন, তারা এখন চরম কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছেন। তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশে এই নির্বাচনি উত্তাপ মাঠপর্যায় থেকে চূড়ান্ত নির্বাচনি সমীকরণে রূপ নেবে।
কেন্দ্র থেকে যেভাবেই জোটের ঐক্য ধরে রাখার বার্তা দেওয়া হোক না কেন, প্রান্তিক এলাকার প্রার্থীরা এখন অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছেন। একদিকে তরুণেরা যারা স্বচ্ছ জনসেবকদের দেখতে চায়, অন্যদিকে নিজস্ব দুর্গ ধরে রাখতে মরিয়া পুরোনো রাজনৈতিক শক্তি। কেন্দ্র থেকে চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত মেনে না নেওয়ার তৃণমূলের এই অবস্থান আগামী দিনে বড় দলগুলোর জন্য যেমন শৃঙ্খলা বজায় রাখার কঠিন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে, তেমনি দেশের স্থানীয় রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সূত্র জানায়, তারা এককভাবে প্রার্থী দিয়ে ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হওয়ায় একই পদে একাধিক প্রার্থী থাকার ঝুঁকি ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়ানোর চেষ্টা চলছে। প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি গুছিয়ে নিতে দলটির নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে নির্বাচন আয়োজনে আরেকটু সময় নেওয়ার পক্ষে মত এসেছে।
কারণ, বিদ্রোহী প্রার্থীদের সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কেন্দ্রীয় নেতাদের। জামায়াত সূত্র জানায়, তারা জাতীয় নির্বাচনে ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কেন্দ্রীয়ভাবে বড় কোনো জোট বা সমঝোতায় না যাওয়ার পক্ষে। তবে রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই। সহিংসতা এড়াতে কিংবা রাজনৈতিক কৌশলে প্রয়োজনে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবতার নিরিখে সমঝোতা হতেও পারে।
ঢাকার দুই সিটিতে জামায়াত ইতোমধ্যেই তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। ঢাকা উত্তরে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন ও দক্ষিণে এস এম আবু সাদেক কায়েম। জুলাই-পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক শক্তি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সূত্র মতে, তারা তৃণমূলে নিজেদের শক্তি বাড়াতে এবং স্বতন্ত্র অবস্থান শক্ত করতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশগ্রহণ করবে।
ইতোমধ্যে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে এবং সিটি করপোরেশনগুলোয়ও প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যদের পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, নির্বাচন পরিচালনা করা নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব।
পুলিশ কমিশনকে সব ধরনের আইনগত ও প্রশাসনিক সহায়তা দেবে। কমিশনের দিকনির্দেশনা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতা এবং পুলিশের পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সমন্বয়ে নির্বাচনটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এরপরও যদি কেউ সহিংসতা করার চেষ্টা করে, তা সেটা যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, পুলিশ নিরপেক্ষভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি।





















