আজ বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩৪°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪৮%

সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে হুতি

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:33:13 am, Thursday, 15 October 2026
  • 12

সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে হুতি

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আরও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) গোষ্ঠীটি বলেছে, এসব স্থাপনা তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। এর আগে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর সদর দপ্তরে হামলা চালানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ওই হামলায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনে সৌদি আরবের হামলার জবাব দিতেই তারা এসব আক্রমণ চালাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধ আরও তীব্র করার হুমকিও দিয়েছে গোষ্ঠীটি। গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বেড়েছে।

এর মধ্যে গত শনিবার রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত হন। মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তরে হামলার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন তিনজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেছেন, ভবনটির কয়েকটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, হামলায় সীমিত আকারের আগুন লাগে।

সূত্রগুলোর মধ্যে দুজন জানিয়েছেন, হামলার পরও আরামকোর কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। তবে কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি আরামকো। সংঘাতের তীব্রতা সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দিয়েছে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌদি অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পাশাপাশি দেশটিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনের যুদ্ধে সরকারি বাহিনীর প্রতি সৌদি আরবের সমর্থনের জবাবেই তারা হামলা চালাচ্ছে। গত মাসে নতুন করে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত করা হয়েছে। এদিন সৌদি রাজধানীতে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বুধবার রিয়াদে সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। তবে বিস্ফোরণের শব্দের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষও কোনো মন্তব্য করেনি। বিস্ফোরণের শব্দের কারণ জানতে সৌদি সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

বুধবার দেওয়া বিবৃতিতে হুতিরা দাবি করেছে, তারা ধাহরানে আরামকোর স্থাপনা, রিয়াদের বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে অবস্থিত আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন কোম্পানি, বেসামরিক নাগরিক ও তেল স্থাপনার কর্মীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনাগুলো থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তর কমপ্লেক্সে কোম্পানিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচালন কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে স্থল ও সমুদ্রের তেলক্ষেত্র, পাইপলাইন, শোধনাগার এবং তেল রপ্তানির টার্মিনালগুলোর বিশাল নেটওয়ার্ক তদারক করা হয়। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গত এক সপ্তাহে চারবার হামলার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে গত শনিবারের হামলাটি ছিল গত এক দশকে সৌদি আরবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরটি আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া সৌদি আরবগামী একাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে বিভিন্ন বিমান সংস্থা। ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব। তখন হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নিয়েছিল। সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সামরিক অভিযান শুরু করে।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর ফলে চলতি বছর পর্যন্ত ভঙ্গুর শান্তি বজায় ছিল। গত মাসে হুতিরা লোহিত সাগরের উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে পৌঁছে যায়। তাদের এ অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরব আবারও সামরিক অভিযান শুরু করে।

বুধবার আন্তর্জাতিক রেডক্রস জানিয়েছে, ইয়েমেনের বিভিন্ন রণাঙ্গনে লড়াই তীব্র হওয়ায় যুদ্ধাহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেশটির হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে বলেছে, হুতি যোদ্ধাদের অবরোধের কারণে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহরে জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বন্ধ হয়ে গেছে।

চলতি মাসের শুরুতে হুতিরা শহরটি ঘিরে ফেলে। ডব্লিউএফপি এক বিবৃতিতে বলেছে, তাইজে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছয় লাখের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছে না সংস্থাটি ও এর সহযোগীরা। তাঁদের মধ্যে দুই লাখের বেশি নারী ও শিশু রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চলে গেলেন পাঁচবারের এমপি ও সাবেক উপমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই

সৌদির বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছে হুতি

Update Time : 09:33:13 am, Thursday, 15 October 2026

সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় আরও হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) গোষ্ঠীটি বলেছে, এসব স্থাপনা তাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু। এর আগে, সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর সদর দপ্তরে হামলা চালানো হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, ওই হামলায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনে সৌদি আরবের হামলার জবাব দিতেই তারা এসব আক্রমণ চালাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধ আরও তীব্র করার হুমকিও দিয়েছে গোষ্ঠীটি। গত এক সপ্তাহে সৌদি আরবে হুতিদের হামলা বেড়েছে।

এর মধ্যে গত শনিবার রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত হন। মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তরে হামলার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন তিনজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেছেন, ভবনটির কয়েকটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, হামলায় সীমিত আকারের আগুন লাগে।

সূত্রগুলোর মধ্যে দুজন জানিয়েছেন, হামলার পরও আরামকোর কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। তবে কর্মীদের বাসা থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্য চাওয়ার অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি আরামকো। সংঘাতের তীব্রতা সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক পরিকল্পনার জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দেখা দিয়েছে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সৌদি অর্থনীতিকে বহুমুখী করার পাশাপাশি দেশটিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চান তিনি।

হুতিরা বলেছে, ইয়েমেনের যুদ্ধে সরকারি বাহিনীর প্রতি সৌদি আরবের সমর্থনের জবাবেই তারা হামলা চালাচ্ছে। গত মাসে নতুন করে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে সৌদি আরবের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত করা হয়েছে। এদিন সৌদি রাজধানীতে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।

এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বুধবার রিয়াদে সম্ভাব্য আকাশপথের হুমকি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। তবে বিস্ফোরণের শব্দের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষও কোনো মন্তব্য করেনি। বিস্ফোরণের শব্দের কারণ জানতে সৌদি সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

বুধবার দেওয়া বিবৃতিতে হুতিরা দাবি করেছে, তারা ধাহরানে আরামকোর স্থাপনা, রিয়াদের বিমানবন্দর এবং রাজধানীতে অবস্থিত আরামকোর একটি তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন কোম্পানি, বেসামরিক নাগরিক ও তেল স্থাপনার কর্মীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনাগুলো থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।

ধাহরানে আরামকোর সদর দপ্তর কমপ্লেক্সে কোম্পানিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচালন কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে স্থল ও সমুদ্রের তেলক্ষেত্র, পাইপলাইন, শোধনাগার এবং তেল রপ্তানির টার্মিনালগুলোর বিশাল নেটওয়ার্ক তদারক করা হয়। রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর গত এক সপ্তাহে চারবার হামলার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে গত শনিবারের হামলাটি ছিল গত এক দশকে সৌদি আরবে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।

কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরটি আগামী ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ ছাড়া সৌদি আরবগামী একাধিক ফ্লাইট বাতিল করেছে বিভিন্ন বিমান সংস্থা। ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ২০১৫ সালে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব। তখন হুতিরা রাজধানী সানা দখল করে নিয়েছিল। সৌদি আরব আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সামরিক অভিযান শুরু করে।

জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এর ফলে চলতি বছর পর্যন্ত ভঙ্গুর শান্তি বজায় ছিল। গত মাসে হুতিরা লোহিত সাগরের উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে পৌঁছে যায়। তাদের এ অগ্রযাত্রা ঠেকাতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দিয়ে সৌদি আরব আবারও সামরিক অভিযান শুরু করে।

বুধবার আন্তর্জাতিক রেডক্রস জানিয়েছে, ইয়েমেনের বিভিন্ন রণাঙ্গনে লড়াই তীব্র হওয়ায় যুদ্ধাহত মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। আহতদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে দেশটির হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) সতর্ক করে বলেছে, হুতি যোদ্ধাদের অবরোধের কারণে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহরে জীবন রক্ষাকারী মানবিক সহায়তা পৌঁছানো বন্ধ হয়ে গেছে।

চলতি মাসের শুরুতে হুতিরা শহরটি ঘিরে ফেলে। ডব্লিউএফপি এক বিবৃতিতে বলেছে, তাইজে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল ছয় লাখের বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছে না সংস্থাটি ও এর সহযোগীরা। তাঁদের মধ্যে দুই লাখের বেশি নারী ও শিশু রয়েছেন।