রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৬৫ হাজার খানার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নির্ভুলভাবে পরিচালনার জন্য ৯৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯ জন সুপারভাইজারসহ মোট ১০২ জন স্বেচ্ছাসেবীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে পুঠিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে। পরে পর্যায়ক্রমে পৌরসভার অন্যান্য ওয়ার্ড ও উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় পুঠিয়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমবিষয়ক অবহিতকরণ সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান। প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল। উপজেলা প্রশাসন জানায়, মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে অতিরিক্ত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার রিজার্ভ হিসেবে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি হিসেবে গত ১০ ও ১১ অক্টোবর প্রথম পর্যায়ে একজন সুপারভাইজার ও ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারীর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদের প্রশিক্ষণ পর্যায়ক্রমে আয়োজন করা হবে। সভায় তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব বণ্টন, তদারকি এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন বক্তারা।
কর্মসূচি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং সঠিক তথ্য প্রচারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সফল করতে প্রশাসন, মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও লিয়াকত সালমান কর্মসূচিটি সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে নির্ভুলতা ও সমন্বয় বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুনসুর মাস্টার, বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌর মেয়র আসাদুল হক আসাদ, পৌর বিএনপির সভাপতি বজলুল রশিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক একরামুল হক, মৎস্য ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা প্রভাষক আতিকুর রহমান, জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার রহমান ভুট্টো, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক রায়হান, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নেফাউর রহমান এবং যুবদল নেতা রোকনুজ্জামান রিকো উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা সভায় অংশ নেন।






















