আজ শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
২৫ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৭ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
বৃষ্টি
২৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৭%

সিলেটের লালাবাজারে সড়ক পাকাকরণের দাবিতে মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:27:16 pm, Saturday, 10 October 2026
  • 9
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় সড়ক পাকাকরণের দাবিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দা ও দৈনিক নিউ নেশনের সিলেট ব্যুরোপ্রধান শফিক আহমদ শফি ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে মন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় সড়ক।

২০২২ সালের ২৫ মার্চ সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ১২৮ মিটার দীর্ঘ সড়কটির পাকাকরণকাজের উদ্বোধন করা হয়। তবে কাজ শুরুর চার বছর পার হলেও পুরো সড়ক পাকা করা সম্ভব হয়নি। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালে লালাবাজার ইউনিয়নের কৃতী সন্তান সাবেক সচিব জয়নুল বারীর প্রচেষ্টা এবং সাবেক চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবালের সহযোগিতায় ইউনিয়নের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে সড়কটির পাকাকরণ প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরে দরপত্র আহ্বান ও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব আনুষ্ঠানিকভাবে কাজের উদ্বোধন করেন। কাজ শুরুর পর ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটির উন্নয়নকাজ ব্যাহত হয়। বন্যার পানিতে সড়ক ও এর পাশে থাকা নির্মাণসামগ্রী আংশিক তলিয়ে যাওয়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর স্থানীয় কয়েকজনের উদ্যোগে আবারও কাজ শুরু হয়।

তবে কয়েক দিন কাজ চলার পর সড়কের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশে ম্যাকাডাম করা হলেও বাকি অংশের কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। এতে সড়কটিতে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। দুই দফা দরপত্র আহ্বানের পরও সড়কটির পুরো কাজ শেষ না হওয়ায় লালাবাজার ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে নেওয়া প্রকল্পটির কাজ অসমাপ্ত থাকায় বিশেষ করে ইউনিয়নের ৪ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও তারা সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় লালাবাজার ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জনপদের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির পাকাকরণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

প্রশ্নফাঁসের জন্য আমাকে ফাঁসানো যায় না: ক্ষোভে ফুঁসছেন চাকরিপ্রার্থীরা

সিলেটের লালাবাজারে সড়ক পাকাকরণের দাবিতে মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

Update Time : 05:27:16 pm, Saturday, 10 October 2026

সিলেটের দক্ষিণ সুরমার লালাবাজার ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় সড়ক পাকাকরণের দাবিতে শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দা ও দৈনিক নিউ নেশনের সিলেট ব্যুরোপ্রধান শফিক আহমদ শফি ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর পক্ষে মন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি দেন। স্মারকলিপি সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালাবাজার ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ঈদগাহ বাজার-পশ্চিম ভাগ-খালোপাড় সড়ক।

২০২২ সালের ২৫ মার্চ সিলেট বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ১২৮ মিটার দীর্ঘ সড়কটির পাকাকরণকাজের উদ্বোধন করা হয়। তবে কাজ শুরুর চার বছর পার হলেও পুরো সড়ক পাকা করা সম্ভব হয়নি। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালে লালাবাজার ইউনিয়নের কৃতী সন্তান সাবেক সচিব জয়নুল বারীর প্রচেষ্টা এবং সাবেক চেয়ারম্যান পীর ফয়জুল হক ইকবালের সহযোগিতায় ইউনিয়নের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে সড়কটির পাকাকরণ প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

পরে দরপত্র আহ্বান ও প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষে তৎকালীন সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব আনুষ্ঠানিকভাবে কাজের উদ্বোধন করেন। কাজ শুরুর পর ২০২২ সালের ভয়াবহ বন্যায় সড়কটির উন্নয়নকাজ ব্যাহত হয়। বন্যার পানিতে সড়ক ও এর পাশে থাকা নির্মাণসামগ্রী আংশিক তলিয়ে যাওয়ায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর স্থানীয় কয়েকজনের উদ্যোগে আবারও কাজ শুরু হয়।

তবে কয়েক দিন কাজ চলার পর সড়কের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশে ম্যাকাডাম করা হলেও বাকি অংশের কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। এতে সড়কটিতে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। দুই দফা দরপত্র আহ্বানের পরও সড়কটির পুরো কাজ শেষ না হওয়ায় লালাবাজার ইউনিয়নের চারটি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘবে নেওয়া প্রকল্পটির কাজ অসমাপ্ত থাকায় বিশেষ করে ইউনিয়নের ৪ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও তারা সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় লালাবাজার ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জনপদের গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির পাকাকরণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।