আজ বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৪ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
৩১°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯৬%

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন, এলাকা পরিদর্শন করেছেন ইউএনও

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:26:00 pm, Wednesday, 7 October 2026
  • 16
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউএনও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের মাঝে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি ত্রাণসহায়তা বিতরণ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে ওই দুই গ্রামের শত শত বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শতশত একর ফসলি জমি ও গাছপালা মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে। গৃহহারা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে ও স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিদর্শনকালে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, ‘ভাঙনের তীব্রতা দেখে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।

ভাঙন ঠেকাতে ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। জরুরি ভিত্তিতে আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের চেষ্টা চলছে। এছাড়া নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ‘ তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক খাদ্য ও ত্রাণসহায়তা দেওয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে সরকারিভাবে তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

জোহরান মামদানির প্রথম বছরেই বিশ্বের এক নম্বর শহরের স্বীকৃতি পেল নিউইয়র্ক

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন, এলাকা পরিদর্শন করেছেন ইউএনও

Update Time : 06:26:00 pm, Wednesday, 7 October 2026

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে ইউএনও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তাদের মাঝে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি ত্রাণসহায়তা বিতরণ করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রামে ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে ওই দুই গ্রামের শত শত বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শতশত একর ফসলি জমি ও গাছপালা মারাত্মক হুমকির মুখে রয়েছে। গৃহহারা পরিবারগুলো খোলা আকাশের নিচে ও স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিদর্শনকালে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, ‘ভাঙনের তীব্রতা দেখে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা নেই।

ভাঙন ঠেকাতে ইতিমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলেছি। জরুরি ভিত্তিতে আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের চেষ্টা চলছে। এছাড়া নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ‘ তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক খাদ্য ও ত্রাণসহায়তা দেওয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে সরকারিভাবে তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।