আজ রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
১৮ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি
৩৩°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৭৩%

রিয়াদে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:22:36 am, Sunday, 4 October 2026
  • 14

রিয়াদে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী। ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি আরবের হামলার জবাবে শনিবার (৩ অক্টোবর) এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অভিযানটি ‘সফলভাবে লক্ষ্য অর্জন করেছে’ এবং হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায়। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে হামলার মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২০টিতে।

এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন। হুতিদের এই মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং হামলার জবাব হামলা করেই দেয়া হবে। ’ এদিকে ইয়েমেনের সরকারের সমর্থনে গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সৌদি গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বলেন, শনিবার রিয়াদে হামলা চালানোর বিষয়ে হুতিদের দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’।

তিনি বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে আনা বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টিও আড়াল করতে চাইছে তারা। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

এই জোট হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং আরও কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি ছিল, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এরপর থেকে ইরান সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

পরীক্ষামূলক চাষ পেরিয়ে পাহাড়ি ঢালে বাণিজ্যিক সম্ভাবনায় কাসাভা

রিয়াদে সৌদি আরামকোর স্থাপনায় হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা

Update Time : 09:22:36 am, Sunday, 4 October 2026

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অবস্থিত দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের সশস্ত্র হুতি গোষ্ঠী। ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি আরবের হামলার জবাবে শনিবার (৩ অক্টোবর) এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বার্তাসংস্থা আনাদোলু বলছে, হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি টেলিভিশনে দেয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, অভিযানটি ‘সফলভাবে লক্ষ্য অর্জন করেছে’ এবং হামলার পর লক্ষ্যবস্তুতে আগুন ধরে যায়। তিনি আরও বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সানা ও ইয়েমেনের অন্যান্য প্রদেশে ৬০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এতে হামলার মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২০টিতে।

এসব হামলার জন্য তিনি সৌদি আরবকে দায়ী করেন। হুতিদের এই মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অবরোধের জবাব অবরোধ দিয়ে এবং হামলার জবাব হামলা করেই দেয়া হবে। ’ এদিকে ইয়েমেনের সরকারের সমর্থনে গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সৌদি গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যে বলেন, শনিবার রিয়াদে হামলা চালানোর বিষয়ে হুতিদের দাবি ‘বিভ্রান্তিকর’।

তিনি বলেন, হুতিরা নিজেদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বাড়তে থাকা জনঅসন্তোষ থেকে মানুষের দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা ও ধ্বংস ডেকে আনা বিদেশি স্বার্থের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিষয়টিও আড়াল করতে চাইছে তারা। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে সৌদি আরব ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সমর্থনে একটি সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে।

এই জোট হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং আরও কয়েকটি প্রদেশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে। তাদের দাবি ছিল, ইয়েমেনে হুতিদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকাগুলোতে সৌদি নৌ ও বিমান অবরোধের জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

এরপর থেকে ইরান সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে।