আজ সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
১৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯২%

ফরিদপুরে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশেই মিলছে বাড়তি আয়, যাচ্ছে বিদেশেও

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:23:35 pm, Saturday, 3 October 2026
  • 16

ফরিদপুরে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশেই মিলছে বাড়তি আয়, যাচ্ছে বিদেশেও

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ফরিদপুরে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশের চাহিদা, যা এখন অনেকের জন্য বাড়তি আয়ের অন্যতম উৎস হয়ে উঠেছে। বাজার থেকে এসব বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে, যা মূলত ব্যবহৃত হচ্ছে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পে। এদিকে এই খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

ফরিদপুরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে মাছের ফেলে দেওয়া আঁশই এখন ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবীদের বাড়তি আয়ের উৎস। প্রতিদিন মাছ কাটার পর সংগ্রহ করা এসব আঁশ বিক্রি করে হচ্ছে অতিরিক্ত আয়।

দীর্ঘদিন ধরে বড় মাছের আঁশ সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে বিক্রি করছেন সুশান্ত কুমার বিশ্বাস। মাসে প্রায় তিন হাজার কেজি মাছের আঁশ সংগ্রহ করে দেড় টন শুকনো আঁশ বিক্রি করে লাখ টাকার বেশি আয় তার।

সুশান্তকে দেখে এখন বিভিন্ন বাজারে মাছ কাটার কাজে নিয়োজিত নারী-পুরুষরাও সংগ্রহ করছেন আঁশ। যেগুলো শুকিয়ে কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।

এসডিসি কর্মকর্তা জাবেদুল ইসলাম বলেন, ‘ফরিদপুরে মাছের আঁশ সংগ্রহকারীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হবে।’

ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান বলেন, ‘এই খাত সংগঠিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।’

মাছের ফেলে দেয়া আঁশ প্রক্রিয়াজাত করে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে পাঠানো হচ্ছে বিদেশেও।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

১০ বছরের পথচলার ইতি টানলেন প্রীতম ও শেহতাজ

ফরিদপুরে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশেই মিলছে বাড়তি আয়, যাচ্ছে বিদেশেও

Update Time : 06:23:35 pm, Saturday, 3 October 2026

ফরিদপুরে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ফেলে দেওয়া মাছের আঁশের চাহিদা, যা এখন অনেকের জন্য বাড়তি আয়ের অন্যতম উৎস হয়ে উঠেছে। বাজার থেকে এসব বর্জ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশেও রপ্তানি করা হচ্ছে, যা মূলত ব্যবহৃত হচ্ছে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পে। এদিকে এই খাতের সাথে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

ফরিদপুরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে মাছের ফেলে দেওয়া আঁশই এখন ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবীদের বাড়তি আয়ের উৎস। প্রতিদিন মাছ কাটার পর সংগ্রহ করা এসব আঁশ বিক্রি করে হচ্ছে অতিরিক্ত আয়।

দীর্ঘদিন ধরে বড় মাছের আঁশ সংগ্রহ করে তা শুকিয়ে বিক্রি করছেন সুশান্ত কুমার বিশ্বাস। মাসে প্রায় তিন হাজার কেজি মাছের আঁশ সংগ্রহ করে দেড় টন শুকনো আঁশ বিক্রি করে লাখ টাকার বেশি আয় তার।

সুশান্তকে দেখে এখন বিভিন্ন বাজারে মাছ কাটার কাজে নিয়োজিত নারী-পুরুষরাও সংগ্রহ করছেন আঁশ। যেগুলো শুকিয়ে কেজিপ্রতি ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করছেন।

এসডিসি কর্মকর্তা জাবেদুল ইসলাম বলেন, ‘ফরিদপুরে মাছের আঁশ সংগ্রহকারীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেয়া হবে।’

ফরিদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান বলেন, ‘এই খাত সংগঠিত হলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।’

মাছের ফেলে দেয়া আঁশ প্রক্রিয়াজাত করে ওষুধ ও কসমেটিকস শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে পাঠানো হচ্ছে বিদেশেও।